পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৩২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৯৮ ‘আর্য্যাবৰ্ত্ত।। ৪ৰ্থ বর্ধ-৪র্থ সংখ্যা। এ কথা শুনিতে পাই, তাহা হইলে তাহাকে এ রাজ্য হইতে তৎক্ষণাৎ “পাপিষ্ঠ তখন সৈন্যগণকে নানা প্রলোভন দেখাইয়া গোপনে আমার বিরুদ্ধে উত্তেজিত করিল ; তাহার পর একদিন বিদ্রোহ-পতাকা উডতীন / করিয়া তাহদের সাহায্যে রাজপুরী অধিকার করিয়া আমাদিগকে বন্দী করিয়া ফেলিল। আমার সমস্ত ধন-রত্ন লুণ্ঠন করিয়া সৈন্যদিগকে প্রচুর উৎকোচ দিয়া সে তাহাদিগকে সম্পূর্ণ নিজের বশীভুত করিয়া রাখিল। তপন সে আবার আমার কাছে বিবাহের প্রস্তাব লইয়া উপস্থিত হইল ; এবং বলিল, যদি তাহার সহিত অনিন্দ্যার বিবাহ দিই, তাহা হইলেই রাজ্য ফিরাইয়া দিবে, না হইলে যাবজীবন বন্দী করিয়া রাখিবে এবং বলপূর্বক আমার কন্যাকে বিবাহ করিবে। আমি অত্যন্ত ঘূণার সহিত এ প্রাপ্তাবে প্রত্যাখ্যান করিলে, সে আমাকে নানারূপে শাসাইয়া চলিয়া (引河1 “এদিকে আমার রাজভক্ত প্ৰজাগণ দ্বারাত্মার কবল হইতে আমাকে উদ্ধার করিবার জন্য নানারূপে চেষ্টা করিয়াও অকৃতকাৰ্য্য হইতেছিল। নিরাধাম তখন এ স্থানে থাকা নিরাপদ নহে ভাবিয়া এ স্থান হইতে কিয়দারে এক স্থানে নিজের প্রাসাদ নিৰ্ম্মাণ করিল এবং আমাকে এই স্থানে এই অবস্থায় রাখিয়া সমস্ত সৈন্য-সামন্ত লইয়া তথায় রাজধানী-স্থাপন করিল। আমি যাহাতে অন্যত্ৰ পালাইতে না পারি কিম্বা অন্য কোন রাজার নিকট হইতে সাহায্য না পাই, তজ্জন্য সে চারিদিকে সতর্ক প্রহরী নিযুক্ত করিয়া রাখিয়াছে। বোধ হয় সে আশা করিয়াছিল যে, শীঘ্রই আমার মত পরিবৰ্ত্তিত হইবে ; তাই সে আমায় প্ৰাণে বধ করে নাই। আর বলপূৰ্ব্বক বিবাহ করিয়া আমার কন্যার মন পাইবে না, এটুকু জ্ঞানও বোধ হয় তাহার ছিল ; তাই এ পন্থাও অনুসরণ করে নাই।” “ইতোমধ্যে বাসস্তীনায়ী একটি সুন্দরী পতিতা রমণীকে সে ভোগ্য নারীরূপে গ্ৰহণ কবিয়াছে। প্রতি বৎসর বাসন্তী পূর্ণিমার দিন এই রমণীকে উপলক্ষ্য করিয়া সে এক উৎসবের আয়োজন করিয়া থাকে ; সে তাহারই নাম দিয়াছে বিশিষ্ঠী-বিজয়’ । সে প্রকাশ্য ক্রীড়াঙ্গনে এই পতিতা যুবতীকে দেশের ਕ সুন্দরী বলিয়া ঘোষণা করে। যাহারা তাহার এই দম্ভপূর্ণ ঘোষণািট্ৰতিবাদ করিয়া স্ব স্ব পত্নী বা প্ৰণয়িনীকে অধিকতর সুন্দরী বলিয়া