পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৩৩৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শ্রাবণ, ১৩২০ | সমালোচনা। 9oه(; য়াছে যে, অনেক সময় জাহ্নবীর প্রবাহ একেবারেই দৃষ্টিগোচর হইতেছে না, সুৰ্য্যের সুতীক্ষ্ণ কিরণচ্ছটা প্ৰবাহকে স্পর্শ করিতেও পারিতেছে না, তরঙ্গাবলীর আস্ফালনজনিত গভীর গর্জনে খরপ্রবাহ অনুমিত হইতেছে মাত্র। আবার কোন স্থলে হয় তা তরু লতা অতি বিরল, বহুদূর পর্য্যন্ত জাহ্নবীর । ঘূৰ্ত্তিশীল ফেন-ধবল নিৰ্ম্মল প্রবাহ দৃষ্টিগোচর হইতেছে। জননী জাহ্নবীর এই সকল অবস্থান অবলম্বনেই কবিগুরু বাল্মীকি স্বকৃত অতুল্য স্তোত্রে উক্ত প্ৰবাহকে ‘তালােতমাল শাল-সরল-ব্যালোল-বল্লী-লতাচ্ছন্নং’ ‘সুৰ্য্যকারপ্রতাপারহিতং’, ‘শঙ্খোন্দুকুন্দোজ্জলং” এইরূপ বিবিধ বিশেষণে বিশেষিত । করিয়াছেন। মধ্যে মধ্যেই বক্রপথে সম্মুখস্থ পৰ্ব্বতে গঙ্গার প্রবাহ দৃষ্টির ব্যবধানে পতিত হওয়ায় বোধ হইতে লাগিল, এই পৰ্য্যন্তই বুঝি প্রবাহের শেষ, সম্মুখবত্তী শৈলশ্রেণী হইতেই বুঝি গঙ্গা নিৰ্গত হইয়াছেন! স্থানে স্থানে উভয়পার্শ্ববৰ্ত্তী পৰ্ব্বতদ্বয় এরূপ নিকটবৰ্ত্তী হইয়া প্রবাহের উভয় পার্থে দণ্ডায়মান হইয়াছে যে, একবিন্দু তািটর পর্যন্ত স্থান নাই। * * * আবার অনেক স্থলে তাঁটের সুন্দর অবকাশ আছে, তথায় তটদেশে এক একটা প্ৰকাণ্ড পাথর এরূপভাবে পড়িয়া আছে যে, গঙ্গার সেই প্ৰথম নিৰ্গম কালীন তঁহার দুৰ্জয় প্রবাহবেগে বিজিত ইন্দ্রের ঐরাবতই যেন অদ্যাপি এরূপ বিকল ও বিহবল অবস্থায় পড়িয়া আছে! কোথাও প্রবাহে নিমগ্নপ্ৰায় ঐ রূপ পাষাণখণ্ড দেখিয়া জলকেলিমগ্ন মাতঙ্গয়ুথের উদ্ধীকৃত মস্তক বলিয়া ভ্ৰম হয়৷ ” পথে বিস্ময়কর বস্তুরও অভাব নাই ৷ ‘ সহস্রধারার নিকট অনেক গাছপাতা পাথরে পরিণত হইতে দেখা যায়। একটি ক্ষুদ্র লতার হয় তা অৰ্দ্ধেক সজীব আছে, অপর অৰ্দ্ধ প্ৰস্তরে পরিণত হইয়াছে ! পাতা গুলি পাথরের প। তা হইয়া পড়িয়া রহিয়াছে ! কিন্তু প্ৰস্তরে পরিণত হইলেও পাতাগুলির প্ৰত্যেক শিরা, প্রত্যেক রেখা সুস্পষ্ট অনুভব হইতেছে!” যমুনোত্তরীর পথে শীত অতি প্ৰবল। “ঝরণার জল স্পর্শ করা যায় না।” “এই স্থানে ৯টি উষ্ণ । BDBS BBYSS iiBD DBD DBDBDBDBD SuBDBBD DBDD giDDD নিতান্ত অভাব } * * যাত্রীদের পাকের উপায় কি ? উপায় ঐ গরম কুণ্ড । রুটী তৈয়ার করিয়া ঐ কুণ্ডের ফুটন্ত জলে নিক্ষেপ করিলে আধা ঘণ্টার মধ্যে উহা সিদ্ধ হইয়া ভাসিয়া উঠে ৷ চ’ল ডা’ল আলুও বেশ সিদ্ধ হইয়া থাকে। অবশ্য চা’লা ডাল গামছায় বঁাধিয়া ছাড়িয়া দিতে হয় ।” এই সকল সৌন্দর্ঘ্যের মধ্যে তিনি দেশের ও দেশবাসীর অবস্থা লক্ষ্য।