পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৪০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


७ig, SNORD . . অদৃষ্ট-চক্ৰ ৩৭১ চতুর্থ পরিচ্ছেদ । গৃহে।। যতীশচন্দ্রের গৃহের আবশ্যক সংস্কার আরব্ধ হইল। সরোজা যতীশকে বলিল, ধরণীধর যাইবার সময় তাহাকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়া গিয়াছিলেন। সেই টাকায় সে শা’নগরে একটি ঘাট বা ধাইবে ও ঘাটের উপর একটি মন্দিরপ্ৰতিষ্ঠা করিবে । জ্যৈষ্ঠের শেষে যখন যতীশচন্দ্রের পুরাতন গৃহ সংস্কৃত হইয় তাহার পুৱাতন অধিকারীর আগমন প্ৰতীক্ষা করিতে লাগিল, তখন ঘাট বাধানও শেষ হইল-মন্দিরও নিৰ্ম্মিত হইল। ঘাট ও মন্দির-নিৰ্ম্মাণে সরোজার পাচ হাজার টাকার উপর যতীশ আরও পাঁচ হাজার টাকা ব্যয় করিল। গ্রামের যে সব লোক যতীশের অবস্থাপরিবর্তনে ঈৰ্য্যায় তাহার অসাক্ষাতে বলিত, “আঙ্গুল ফুলিয়া কলাগাছ। এখন শেষ রক্ষা হইলেই বঁচি,” তাহরাও সাক্ষাতে বলিত, ‘না হইবে কেন ? ধরণীবাবুর কৃপায় আমরা রোগে ঔষধ পাইতেছি, ছেলেরা বাড়ী থাকিয়া লিখাপড়া করিবার সুযোগ পাইয়াছে। তুমি পিতার উপযুক্ত পুত্র।” গ্রামের বিধবারা বলিলেন, “বাবা, আশীৰ্বাদ করি, আমাদের মাথায় যত চুল, তত বৎসর পরমায়ু ভোগ কর। ধনে পুত্ৰে লক্ষ্মীশ্বর হও । বৌমার হাতের ‘লোহ" অক্ষয় হউক। তোমাদের জন্য আমরা গঙ্গাস্নানের -দেবতাদর্শনের সুবিধা পাইলাম।” যতীশকে পাইয়া হরিনাথের আনন্দ আর ধরে না। তিনি দন্তহীন মুখে এক গাল হাসি হাসিয়া বলিলেন, “আমি পথ চাহিয়াই ছিলাম ‘ভাগ্যে দেহে প্ৰাণ ছিল তাই ত আবার দেখা হল।” DD iDS BDDB BBB BDDD BB DD BD DB DBD DB S