পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৪২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভাদ্র, ১৩২• । নবীনচন্দ্রের কাব্যে কৃষ্ণচরিত্র। votr( প্ৰতিভাশালী একলব্যকে নীচজাতীয় বলিয়া উপেক্ষা না করিতেন, তাহা হইলে আমরা ভারতের ইতিহাসে অর্জনের ন্যায় আর একটি বীরের কীৰ্ত্তিপূর্ণ জীবন-কাহিনী পাঠ করিতে পারিতাম ; সেই জীবন-চিত্র হয় ত অনেক বিষয়ে মানবের আদর্শ হইতে পারিত । ‘রৈবতকের’ প্ৰথম সর্গেই আমরা কৃষ্ণকে জড়োপাসনার বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান দেখিতে পাই ।

    • প্ৰভাসের তীরে বসি কৃষ্ণ ধনঞ্জয়

tDBBBD LBBDSS KJDL DLBD KD0 দুই পার্থে ধানমগ্ন বসি ঋষিগণश्त्रि यष्क्ष्व्ज ;" যখন কণক কিরণলহরে সমুদ্রের পূর্বপ্রান্ত প্ৰদীপ্ত করিয়া নবীন তপন “উঠিলেন, নীলাকাশে কলসি নয়ন” তখন ঋষিগণ সেই নবেদিত সুৰ্য্যকে বিশ্বের আলোকের কারণ, “জগত পালন,” “জগত ধবংসন” মনে করিয়া র্তাহার স্তব করিতে আরম্ভ করিলেন। তঁহাদের স্তব শেষ হইতে না। না হইতেই কৃষ্ণকণ্ঠে অপার মহিমাময় বিশ্বপতির বন্দনাগীতি ঝঙ্কত হইয়া উঠিল। বন্দনাশেষ করিয়া তিনি অৰ্জ্জুনকে বলিলেন,- ‘অন্ধ জড় উপাসক ! হেন মহাশক্তি নিত্য বিদ্যমান যার নয়নের কাছে, সে কোন পূজিবে ওই অন্ধ প্রভাকয়— জ্ঞানহীন, ইচ্ছাহীন, নিয়মের দাস ! যাহার উদয়, অন্ত, শূন্য-পৰ্যটন छलछया निश भादौन ; ८श्न 9डाकtब কেন পূজিবেক পার্থ, চেতন মানবে!" তখন অনেকে আসল ভুলিয়া মেকির আদর করিত, সৃষ্টিকৰ্ত্তাকে ভুলিয়া সৃষ্ট পদার্থের পূজা করিত। একেবারেই মানুষের অনন্তের ধারণা, অনন্তের প্রতি প্ৰেম জন্মিতে পারে না। তাই মানুষ সান্ত জড় ও চেতনে অনন্ত দেবের সত্ত্বা উপলব্ধি করিয়া, সেই সান্ত ও জড়কে পূজা করিতে, ভালবাসিতে শিখিয়া, সেই বিশ্বব্যাপী অনন্ত ঈশ্বরকে ভালবাসিতে ও পূজা করিতে শিখে। কিন্তু অনেকেই আবার প্ৰেম ভক্তি অসীমে বিস্তৃত করিবার নীতি বিশ্বত হইয়া জড়কেই আপনাদের উপাস্য মানিয়া লয়েন।