পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৪২৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


♥oሆቴነ” स्रोशैदé । 8(진-t Ti - k পঞ্চম পরিচ্ছেদ । O r - यान्न्ख्el5 ! বৃদ্ধ আরও কথা বলিতে যাইতেছিলেন ; কিন্তু এই সময় অনিন্দ্যা উভয়ের আহাৰ্য্য আনিয়। উপস্থিত হইলেন। অনিল তখন কন্যাকে বলিলেন,-“ম, ইনি কোশলরাজপুত্র গিরণ । ইহার কথা আগে অনেকবার তুমি আমার মুখে শুনিয়াছি।” বিস্ময়ে ও লজ্জায় অনিন্দ্যার মুখমণ্ডল আরক্তিম হইয়া উঠিল। এই সেই কুমার গিরণ-র্যাহার লোকাতীত বীরত্বের কাহিনী তঁাহার বালিকাহৃদয়ে কতবার বিস্ময় ও পুলিকের তরঙ্গ তুলিয়াছে! কিন্তু সেই বিস্ময়বিজড়িত পুলিকের অন্তরালে যে আর কোন ভাব তঁহার অজ্ঞাতসারে লুক্কায়িত ছিল; তাহা ত তিনি কখনও সন্দেহ করেন নাই! আজি সহসা সেই গিরণকে দেখিয়া তঁহার এ কি ভাবান্তর হইল ? কোথা হইতে এক নূতন ভাবের বন্যা আসিয়া তাহার ক্ষুদ্র হৃদয়খানি তোলপাড় করিয়া তুলিল ? অনিন্দ্যা কক্ষের এক ক্ষীপালোকিত পার্শ্বে নতমস্তকে দাড়াইয়া ছিলেন। তিনি তখন কি করিবেন, দাড়াইয়াই থাকিবেন কি চলিয়া যাইবেন, তাহা বুঝিয়া উঠিতে পারিতেছিলেন না। পিতা শীঘ্রই তঁহাকে এই সমস্যা হইতে উদ্ধার করিয়া বলিলেন,-“মা, কুমারের ঘোড়াটিকে কিছু আহাৰ্য্য দিয়া আইস।’ গিরণ তৎক্ষণাৎ বাধা দিয়া বলিলেন,-“না, না, তাহার কোন প্রয়োজন নাই। ঘোড়াটাকে যে স্কুনে বাধিয়া আসিয়াছি, সে স্থানে প্রচুর তৃণ আছে। তাহাকে আর কিছু দিতে হইবে না।” এই বলিয়া তিনি একবার আবেগভরা দৃষ্টিতে অনিন্দ্যার দিকে চাহিলেন। আর তিনি যখন এই কথাগুলি ৰলিতেছিলেন তখন অনিন্দ্যারও দৃষ্টি তঁহার উপর নিবন্ধ ছিল। চারি