পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৪৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


eu, Yvoro, ईिीबू लाख्छु । 8 SS বিদুল্লতা, এবং ষোড়শীমোহনের ভগিনীর নাম সরোজিনী বলিয়া কি হরি- “ চরণের কন্যার নাম লবঙ্গলতী হইবে ? যাহার যেমন রুচি। একটা কথা, দেখা যায় লোক একজনকে ডাকে ‘পটু,’ ‘গাবু’ বা আর কিছু বলিয়া, কিন্তু হয় তা তাহার নাম নিশানাথ বা অনঙ্গমোহন । স্ত্রীলোকদের মধ্যেও দেখা যায় পুটির আসল নাম শতদলবাসিনী এবং টেবির নাম বেদান। দুইটি নামও অনেকের থাকে, ভাল জিজ্ঞাসা করা যাউক । আমি জিজ্ঞাসা করিলাম “তোমার আর কোন নাম আছে কি ?” সংক্ষিপ্ত উত্তর পাইলাম, “না।” আমি আরও দুই চারিটি কথা বলিলাম, উত্তরও পাইলাম চাপা-চাপা। তখন রাত্রি অনেকখানি হইয়াছিল, নিদ্রার সহিত আর লড়াই করিতে পারিলাম না। কত সুখের কল্পনা লইয়া ঘুমাইয়া পড়িলাম। ( 8 ) সকালে যখন নিদ্ৰা ভাঙ্গিল তখন অনেকখানি বেলা হইয়াছিল। জাগিয়া শুনিলাম, বাহিরে কি সব কথা কাটাকাটি চলিতেছে এবং দেখিলাম হরিদাসী অশ্রুসিক্ত নয়নে দ্বারদেশে দাড়াইয়া আছে। অনুমানে বুঝিলাম, দেনা-পাওনা লইয়া কিছু গোলমাল হইয়াছে। হরিদাসীকে জিজ্ঞাসা করিলাম, “ব্যাপার কি ?’ সে ঢিপ করিয়া আমাকে একটা প্ৰণাম করিয়া কঁাদিতে লাগিল । কোন উত্তর না পাইয়া তাড়াতাড়ি বাহিরে আসিলাম । আসিয়া দেখি, পিতাঠাকুর মহাশয় পথে দাড়াইয়া আমার শ্বশুর মহাশয়ের উদ্দেশে কটুক্তি প্রয়োগ করিতেছেন। ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয়কে জিজ্ঞাসা করায় তিনি বলিলেন যে, আমার শ্বশুর একজন প্রথমশ্রেণীর জুয়াচোর, সে চারিশত ছত্ৰিশ টাকার মধ্যে মাত্র একশত তের টাকা দিয়াছে, এবং বলে যে, বহু চেষ্টায় সে আর টাকার জোগাড় করিতে পারে নাই। সৰ্ব্বনাশ ! তিনশত বায়ান্ন টাকা সাড়ে তের আনা যে আমাদের ঋণ, মহাজনের লোক নিশ্চয়ই এতক্ষণ আমাদের বাড়ীতে খাতা লইয়া বসিয়া আছে। শ্বশুরের অবস্থা মন্দ বলিয়া ত মহাজন তাহার প্রাপ্য টাকার মধ্যে এক পয়সাও ছাড়িবে না! দুরু হউক ছাই, এমন বিবাহ আবার মানুষ করে ! আমি পান্ধীতে চড়িয়া বসিলাম, এবং চিন্তার সীমায় না আসিতেই ৰাড়ী আসিয়া পৌছিলাম । বাড়ী আসিয়া পিতাঠাকুর মহাশয় উঠতে বসিতে দীর্ঘনিশ্বাস ত্যাগ