পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (তৃতীয় বর্ষ).pdf/১৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


४१० আৰ্য্যাবৰ্ত্ত । ৩য় বর্ষ--- ৩য় সংখ্যা ক্ষণিক সুখ । বহুদিন পরে আজ আবার সমুদ্র তীরে আসিয়া বসিয়াছি। কত দিনের, কত বৎসরের বিচ্ছেদের পর আজ পুনৰ্ম্মিলনের তীব্র আকাজক্ষণ পরিতৃপ্ত করিতেছি! সমুদ্রের সহিত যত প্রেম, বুঝি, মানুষের সহিত তত প্রেম হয় না ; সে প্ৰেম নিস্বাৰ্থ সুতরাং নিরঙ্কুশ । দূরে সমুদ্র এবং আকাশের সন্ধিস্থল ভেদ করিয়া সুবিমল শশধর পৌর্ণমাসী রজনীর মৃদু মধুর হাস্তে দিগন্ত উদ্ভাসিত করিয়া ধীরে ধীরে উচ্চ হইতে উচ্চতর গগনে আরোহণ করিতেছেন। স্নিগ্ধ কিরণরেখা তিৰ্য্যকৃ ভাবে সমুদ্রকক্ষে পতিত হইয়া সততচঞ্চল উৰ্ম্মিমালার নীলাভঙ্গী চিত্তবিমোহন করিয়া তুলিয়াছে। যেন তরল রাজতরাশি চল চল ছল ছল করিয়া হেলিয়া দুলিয়া, হাসিয়া নাচিয়া, পরস্পরের অঙ্গে অঙ্গ মিশাইয়া মিলনের মধুর রসাস্বাদন করিতে করিতে অনন্তের অনন্ত অন্তরে আত্ম মিলাইতে ছুটয়াছে। পূর্ণচন্দ্রের পূর্ণ প্ৰতিবিম্ব হৃদয়ে ধরিয়া, তাহাকে কঁপাইয়া কঁপাইয়া, সমুদ্র তাহার প্রণয়াস্পদের আসঙ্গজনিত হৃদিকম্পন বিজ্ঞাপন করিতেছে। আনন্দে আত্মহারা সমুদ্রের সরাম নাই, শঙ্কা নাই, আত্মগোপনের চেষ্টামাত্র নাই। তাহার আনন্দ যে ক্ষণস্থায়ী, তাহার সে চিন্তা নাই। পূর্ণিমার পর যে অমাবস্যা, সে কথা সে ভুলিয়া গিয়াছে; তাই সে হৃদয়ের শশীকে নাচাইয়া। দোলাইয়া নিলাজ ভাবে সোহাগ জানাইতেছে। তাহার উচ্ছঙ্খল আনন্দ দেখিয়া যে অপরের ঈর্ষ্য জন্মিতে পারে, সে কথা তখন তাহার কল্পনায়ও স্থান 에t F1 i কিন্তু সমুদ্র, তোমাব এ শশীসোহাগ কতক্ষণ ? যতক্ষণ রজনী না প্ৰভাত হয়। তাহার পর, তোমার হৃদয়ে অন্যের ছবি অঙ্কিত হইবে । তাহার তেজ বড় তীব্র। তখন তোমার এ মৃদু মধুর ভাব থাকিবে না ; তখন তোমার এ শ্ৰান্তিহরা পাগলকরা শ্রতিসুখকর মন্দ গর্জন থাকিবে না। এমন ক্ষুদ্র বীচিমালার লীলাময় নৃত্য থাকিবে না ; তখন প্ৰচণ্ড সুৰ্য্যের প্রখর কিরণে তোমার হৃদয়-সাহারা উত্তপ্ত ধূসর ভাব ধারণ করিবে। উষ্ণ নিশ্বাসে উচ্চ BDB BDDD DBD DBS DDD S DBDBDDt B BBBDD gO e