পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (তৃতীয় বর্ষ).pdf/২০৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ማiኛi፱, ›538 | खौवन-विद्धिJ । እb”vö করেন না যে, প্রেমের রূপ নাহিলে দিন চলে না। একজন কবি বলেন, তগবান আমাদের হৃদয়ের শিক্ষার জন্য ভালবাসার বস্তু দেন এবং শিক্ষা শেষ হইলে উহা ফিরাইয়া লরেন। সেইরূপ প্রেমও শৈশবাবস্থায় রূপের হস্তধারণ করিয়া হঁটিতে শিখে এবং শিক্ষা শেষ হইলে ক্ষণভঙ্গুর রূপের পরিাবৰ্ত্তে হৃদিস্থিত অটল রূপের আশ্রয় গ্ৰহণ করে। প্রকৃত সৌন্দৰ্য্য হৃদয়ের অতি নিভৃততম কন্দরে লুকায়িত থাকে। যখন হৃদয়ের সহিত হৃদয়ের ঘনিষ্ঠ যোগ সংস্থাপিত হয়, তখন উভয় হৃদয়ের আবরণগুলি একে একে খসিয়া পড়ে এবং পরস্পরের আভ্যন্তরিক সৌন্দৰ্য্য ক্রমশঃ পরস্পরের পরিচিত হয়। চিন্তাশীল কবি ব্রাউনিং বলেন, অতিবড় নরাধমের আত্মাও দুই দিক বিশিষ্ট ; উহার জঘন্য দিকৃটি সর্বসাধারণের দৃষ্টিগোচর হয় এবং ভাল দিকৃষ্টি কেবল উহার প্রণয়িনীই দেখিতে পায়। এইরূপে অতি নিকৃষ্ট চরিত্রের লোকও প্রণয়সুখে একেবারে বঞ্চিত হয় না। রোমের দুৰ্ব্বত্ততম সম্রাট, নিরোর কবরেও কোনও অজ্ঞাত হস্ত ফুল ছড়াইয়াছিল। কবিগণ প্ৰেমকে অনেক সময়ে অন্ধ বলিয়া বৰ্ণনা করেন ; কিন্তু প্রেমের ন্যায় সূক্ষ্মদৃষ্টি গগনবিহারী শ্যেনপক্ষীরও নাই। হৃদয়ের যে সৌন্দৰ্য্য অপর কেহ দেখিতে পায় না প্রেম তাহাও দেখিতে পায়। হাফেজ বলেন, যথায় প্রেমের ছায়া পড়ে তথায় সৌন্দর্ঘ্যেরও অধিষ্ঠান হয়। প্রত্যেক প্রেমিকের জন্য যে স্বতন্ত্র রত্ন প্ৰদীপ একটি নিভৃত কক্ষে দীপ্তিবিস্তার করে তাহা জনসাধারণের দৃষ্টিপথের অতীত । “হৃদয়ের অন্তস্থলে, যে মাণিক গোপনে জ্বলে, সে মাণিক কখনও কি বাজারে বিকায় ?” প্রেম মানস-চক্ষু দিয়া দেখে বলিলেও প্রেমের দৃষ্টির যথাযথ বর্ণনা হয়। না ; প্রেম হৃদয় দিয়া দেখে। হৃদয়ের দৃষ্টি মেহের দৃষ্টি-বুদ্ধির দৃষ্টি অপেক্ষা যে কত সূক্ষ্মতর তাহা ভারতীর বরপুত্র কালিদাস জানিতেন। তিনি বলেন--- “নহি বুদ্ধি গুণেনৈব সুহৃদামৰ্থদৰ্শনং। কাৰ্য্যসিদ্ধিপন্থঃ স্মৃন্মঃ স্নেহেনাপুপলভ্যতে ৷” ৰন্ধু-বাঞ্ছিত বিষয়দর্শন কেবল বুদ্ধির গুণেই হয় না ; মেহের গুণেও कॉलिक्षि न्यू अर्थ कांड कडू बॉङ्ग । ğuqfqRifsar qXiv I