পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (তৃতীয় বর্ষ).pdf/৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৈশাখ, ১৩১৯৷৷ वर्थ (eन f ৬৯ ৷ Wê তৃতীয় দিন সন্ধ্যায় তিনি আমাকে ডাকিয়া বলিলেন,-“আমার মহাযাত্রার আর বিলম্ব নাই। আমাকে পরপারে লইয়া যাইতে তরণী আসিয়াছে। আমি ৰে জন্য তোমাকে দেখিতে আসিয়াছি তাহ বলি-শুন,- “তোমার পিতা যখন বিলাতে গিয়াছিলেন, তখন তুমি শিশু। তিনি কলেজে আমার ভ্রাতার সতীর্থ ছিলেন। আমার পিতার নাম তুমি বোধ হয়। শুনিয়াছ ; তিনি আমেরিকার প্রসিদ্ধ ধনী এভান্স। তিনি ব্যবসায়ে সাফল্য লাভ করিয়া ক্ৰমে ব্যবসায় এত বড় করিয়া তুলিয়াছিলেন যে, তাহার uBDBD DBBB BDBDBD BBSS S DDDD DBB BDBBD DDD DBL আইসেন। ইংলণ্ডে আসিবার অল্পদিন পরে তঁাহার মৃত্যু হয়। আমরা ইংলণ্ডেই বাস করিতে থাকি। আমার ভ্রাতা ডাক্তারী পড়িতেন। তঁহার সহিত তোমার পিতার বিশেষ বন্ধুত্ব ছিল। তিনি মধ্যে মধ্যে আমাদের গৃহে আসিতেন। তাহার। আননে সর্বদাই যে বিষাদগাম্ভীৰ্য্য দেখা যাইত তাহা সহজেই দর্শকের দৃষ্টি আকৃষ্ট করিত-যেন তিনি জীবনব্যাপী দারুণ তৃষ্ণায় তৃষিত। তাহাতে র্তাহার প্রতি স্বতঃই সহানুভূতির সঞ্চার হইত। মনে হইত, তাহার জীবনে কোন দুজ্ঞেয় রহস্য আছে। তাহাতে স্বতঃই তাহার দিকে হৃদয় আকৃষ্ট হইত । “ক্রমে আমাদের পরিবারের সহিত র্তাহার ঘনিষ্ঠতা জন্মিতে লাগিত । তিনি সময় সময় বলিতেন,-“বড়ই বিস্ময়ের বিষয় এই বিদেশে আমি স্বজন লাভ করিয়াছি!’ বলিয়া তিনি সেনষ্টনের কবিতার আবৃত্তি করিতেনযে কেহ জীবন-পথে করেছে ভ্ৰমণ যে দিকে কৰ্ম্মের স্রোত লয়ে গেছে কাযে, তজে দীর্ঘশ্বাস যুবে করে সে স্মরণ, মধুর স্বাগতভাষ পান্থশালা-মাঝে। “র্তাহার কবিতার আবৃত্তি করিবার এমন মধুর ভঙ্গী ছিল যে, তাহা সহজেই শ্রোতাকে মুগ্ধ করিত। “এই সময় একবার আমরা ফান্সে বেড়াইতে গিয়াছিলাম। এক দিন অপরাহ্নে আমার ভ্রাতা, তোমার পিতা ও আমি বেড়াইতে বেড়াইতে BDBBuD uD DBDDBD S DBD D DBB BDBD DBB DBB DuB বেড়াইবায় প্রস্তাব করিলেন। আমি সাগ্রহে সন্মতি দিলাম। আমরা কিছুদূর