পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (তৃতীয় বর্ষ).pdf/৮৩৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৭৯৪ আার্যাবর্ত। ৩য় বর্ষ—১১শ সংখ্যা। তথন ব্রাক্ষণ ইক্ষুদণ্ডপূর্ণ বস্ত্রখণ্ড উপাদানের আকারে মস্তকের নিয়ে রাখিয়। প্রাসাদের সিড়ির উপর শয়ন করিল। ব্রাহ্মণ গাঢ় নিদ্রায় অভিভূত হইলে। রাজ-বাটীর জনৈক পরিচারক সেই ইস্কুদওওলি অপহরণ করিয়া তৎপরিবর্তে কল্পেক খণ্ড ভস্মীভূত কাঠ রাখিয়া গেল। ব্রাহ্মণ প্রভাতকালে ইক্ষুদণ্ড সখন্ধে তিল মাত্র সন্দেহ না করিয়া রাজ-সমীপে উপস্থিত হইল। কিন্তু কি আশ্চৰ্য্য! তিনি বস্ত্ৰ উন্মোচন করিয়াই দেখেন, তন্মধ্যে ইন্দও। নাই— কয়েক থও পোড়া কাষ্ঠ মাত্ৰ আছে! রাজার চক্ষু ইহা দেধিম্মা একেবারে জলিয়া উঠিল—সভাসদ পণ্ডিতরা সকলে তাছাকে উন্মাণ বলিয়া হাস্য করিতে লাগিলেন। কিন্তু ব্রাহ্মণের উপস্থিত বুছি ছিল, তিনি অপ্রতিভ হইবার লোক নহেন। তিনি বলিলেন,অথং খাওবমডুনেন হি বৃথ। দেবক্রমৈমন্ণ্ডিতং Rথা বাস্তুহঁতেন হেমনগরী লঙ্কাপুরী স্বর্ণকুঁঃ। দপ্তং সৰ্বমথো হরেণ মন: কিং তৈরযুক্তং, দারিদ্রং জনঃখকার কমিং ফেনাপি দৰ্থং ন fহ॥ অর্থাৎ অৰ্জন খাণ্ডব-বন দাহন করিয়াছিলেন, হনুমান লঙ্কা দগ্ধ করিয়াছিলেন, হর-কোপানলে মধন তর্গ হইয়াছিলেন ইহা তাহায়া ভালই করিয়াছিলেন। কিন্তু হুঃথের একমাত্র নিদান এই দারিদ্রাকে কেহ ভঙ্গ করে না কেন? রাজা ভোগ ব্রাহ্মণের এই শ্লোকাবৃত্তি প্রবণে এতর সস্থ হইলেন যে, তিনি তৎক্ষণাৎ ণ্ঠাহাকে পুরত্বত করিবেন। দ্বিতীয় গল্প। একদিন ভোনদাশরথি নামে একজন ব্রাহ্মণ কবিশ্রেষ্ঠ কালিদাগের নিকট গিন্না বলিলেন, “তহাশয়, জাপনি ত রাজার দক্ষিণ হৎ, আমি নিতান্ত দরিদ্র, মালার নিকট হইতে আথাকে কিঞ্চিৎ থান দেওয়াইবার ব্যবস্থা করুন না কেন?" কালিদাস বলিলেন, “আছা ভাল, আপনি যরোকায়স্ক খেৰাধিরৎ’ বলিয়া রাজাকে জাশীৰ্ব্বাদ করিতে পারিবেন ত? এই সামাপ্ত বাক্যটি আপনার কণ্ঠস্থ হইবে ত?” ব্রাহ্মণ বণিলেন, ‘একমাস চেষ্টা করিয়া দেখি।”