পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (তৃতীয় বর্ষ).pdf/৮৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


आर्श्वावर्ड । ৩য় বর্ষ-১২শ সংখ্যা । 98 سوا sem gen- m - পিাত্ৰালয়ে আসিয়া শৈলজা রাধাচরণকে কলিকাতা হইতে আনাইল ; বলিল, “এ সময় সেজবৌ কলিকাতায় কেন ?” পত্নীর সন্তানসম্ভাবনা হেতু রাধাচরণ তাহাকে তাহার পিত্ৰালয়ে পাঠাইবার উদ্যোগ করিয়াছিল । সে বলিল, “সেজবেীকে বাপের বা উী পাঠাইতে হইবে ।” শৈলজা রাগিয়া উঠিল ; বলিল, “এখন তাহারও বাপের বাড়ী যাইবার সময় নহে ; তোমারও কলিকাতায় থাকিবার সময় নহে। বুঝিতে পারিতেছ না, আমাদের কি সৰ্ব্বনাশ উপস্থিত ? তোমার এমন বুদ্ধি হইল কেন ? কাহাকে হাৱাইতে বসিয়াছ তাহা কি বুঝিতেও পারিতেছি না ?” সে জানিত, জ্যেষ্ঠতাতের মৃত্যুতে পিতৃগৃহে তাহার সকল অধিকারের শেষ হইবে। তিরস্কৃত রাধাচরণ কলিকাতায় ফিরিয়া গেল এবং পত্নীকে গৃহে লষ্টয়া আসিল । পিসীমা সেই সঙ্গে আসিলেন । তখন লোকলজ্জাভয়ে বড় বন্ধও ইচ্ছাপুরে অসিলেন । , নীরজ। অল্পদিনপূৰ্ব্বে শ্বশুরালয়ে গিয়াছিল। তাহার শ্বাশুড়ী তাহাকে এত শীঘ্ৰ পাঠাইতে সম্মত হইলেন না । তাই পাৰ্ব্বতীচরণ তাহাকে আনিতে দানাপুরে গেল। সে বহু অনুনয় বিনয়ের ফলে ভগিনীকে লইয়া আসিতে পারিল বটে ; কিন্তু ভগিনীর ভবিষ্যৎ ভাবিয়া শঙ্কিত হইল। তাহার শ্বাশুড়ী গৃহের গৃহিণী। তাহার পুত্ৰগণ বিদেশে চাকরী করে, কেহ পরিবার সঙ্গে লইয়া যাইতে পায় না। সকলকেই গ্ৰাসাচ্ছাদনের অনিবাৰ্য অর্থ ব্যতীত সব টাকা মা’কে পাঠাইয়া দিতে হয় । তিনি সেই অর্থ সঞ্চিত করেন। তাহার অর্থলালসা এমনই প্ৰবল যে, বধরা পত্র লিখিবার জন্য একৃখানা খাম প্রয়োজন হইলেও সকল সময় পায় না। বিবাহিতা পৌত্রীরা পিতৃগৃহে আসিলে তিনি বিরক্ত হইয়া উঠেন-খরচ বাড়িবে। তিনি রুক্ষপ্ৰকৃতি। তঁহার দেহ স্বভাবতঃ শীর্ণ-অস্থিচৰ্ম্মসার ; তাহার উপর অন্নরোগে জীর্ণ। কাষেই তাহার ধৈৰ্য্যুতি ঘটিতে বিলম্ব ঘটে না। পাৰ্ব্বতীচরণ এক দিনেই তাহার প্রকৃতির যে পরিচয় পাইল । তাহাতে সে শঙ্কিত হইল । ফাঙ্কনের মধ্যভাগে এক দিন ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় পরিবারের সকলকে শষ্যাপাশ্বে ডাকিলেন । সকলে সমবেত হইলে তিনি বলিলেন, “বামাচরণ, পাৰ্ব্বতীচরণ, রাধাচরণ, দেবীচরণ-তোমাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ