পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/১৪২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


agè, YO > 1 ! " लव् | à 30: উৎপত্তি হইয়া থাকে। মশক মনুষ্য-শরীর হইতে এই বিষ গ্ৰহণ করে। ম্যালেরিদ্ধা জ্বরোৎপত্তির অনুকুল অবস্থা কি কি তাহা আলোচ্য গ্রন্থে এইরূপ লিখিত হইয়াছে ;- “প্ৰথমতঃ । কোনও দেশে বা স্থানে বথেষ্ট পরিমাণে জ্বর মশক থাকা প্ৰয়োজন । দ্বিতীয়তঃ। ম্যালেরিয়া জ্বরাগ্রস্ত রোগী থাকা চাই, তবে না মশক শোণিতসহ ঐ জীবাণু শিশু গ্ৰহণ করিয়া তাহাকে পরিণত ও আত্মবিভাগদ্বারা তাহার শত গুণ বংশবৃদ্ধি করিয়া মানবদেহে পুনঃ সঞ্চারিত করিবে । তৃতীয়তঃ। মশক হইতে মনুষ্য শরীরে ও মনুষ্য শরীর হইতে পুনশ্চ মশকদেহে জীবাণুকুলের গমনাগমনের সুবিধা থাকা চাই। চতুর্থতঃ । মিশকের 'পরিণতি ও বংশবৃদ্ধির অনুকূল আবহাওয়া নাহিলে চলে না। এই কয়টির কোনও একটিীর অভাব থাকিলে ম্যালেরিয়া জ্বর হয় না । এই জন্য অনেক দেশে জ্বর মশক সত্বেও ম্যালেরিরা নাই, এবং অনেক স্থানে মশক ও জ্বর সত্বেও বৎসরের অনেক সময় জ্বর বিমুক্ত থাকে। তখন আবহাওয়া এমন হয় যে তাহা মশাকদংশন ও মশকভ্ৰণের পরিণতির পক্ষে আদৌ অনুকুল নহে। যেমন আমাদের দেশে শীত কাল ও বসন্ত BDBD SKKBD DBDBDS DBDSS D BDDLLDBB KD SLBBDD DBDLYSDDD সঙ্কলেই কিছু সমান জীবাণু বহন করে না। যেখানে জ্বর মশক কম জীবাণু বহন করে সেখানে জ্বর কম হয়, যেখানে বেশী বহন করে, সেখানে জ্বর বেশী হয়।” আমরা আলোচ্য গ্ৰন্থ হইতে মোটামুটি “মশক মতের” আভাসমাত্ৰ প্ৰদান করিলাম। মশক মানব, শরীর হইতে ম্যালেরিয়ার জীবাণু লইয়া নিজ শরীরে উহার পরিণতি ও বংশবৃদ্ধি করিয়া উহা আবার মানবশরীরে প্রবিষ্ট করাইয়া দেয়। মানব-শোণিতে, উহার অযোনিসম্ভব (asexual ) বংশবৃদ্ধি ও মশক শরীরে উহার যোনিজ ( sexual ) বংশবৃদ্ধি হয় । মশক শরীরে পরিপক্কতা লাভ না করিলে ঐ জীবাণুর জ্বর-জনন-শক্তি জন্মে না । এখন জিজ্ঞাসা, মানব শরীরে এই প্ৰাথমিক জীবাণু কোথা হইতে আইসে ? ইহাই এই “মশক মতের” প্ৰধান }\, গুপ্ত মহাশয় কুইনাইনকেই ম্যালেরিয়ার একমাত্র ঔষধ নির্দেশ করিয়াছেন। র্তাহার পুস্তকখানি চিকিৎসক ও জনসাধারণের বিশেষ উপকারে আসিবে। বাঙ্গালার এই শ্রেণীর পুস্তক যতই প্রণীত ও আদৃত হয়, ততই মঙ্গল। শ্ৰীশশিভূষণ মুখোপাধ্যায়।