পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিত্রকর। 'আমরা চা’র বন্ধু মুর্শিদাবাদে গিয়াছিলাম। তথায় বহরমপুরে বাল্যবন্ধুর গৃহে কয়দিন প্রচুর আনন্দে ও আদরে সময় কাটাইয়া আমরা বাঙ্গালায় মুসলমান-শাসনের শ্মশান দেখিয়া বেড়াইলাম। এই মুর্শিদাবাদেই বাঙ্গালায় ইংরাজের প্রথম সমৃদ্ধিসঞ্চয় । তখনও এ দেশে ইংরাজ বণিকমাত্ৰ । তখনও রেশমের কুঠীর দপ্তরখানায় সদ্যপত্নীবিয়োগবিধুর হেষ্টিংসের কল্পনায় * বাঙ্গালায় রাজ্য-স্থাপনের কথা উদিত হয় নাই। মুর্শিদাবাদের কুঠার সম্মুণ্ঠে সমাধিক্ষেত্রে তঁহার পত্নী ও দুহিতা সমাহিতা । তখন মুর্শিদাবাদের প্রাসাদে সিরাজদ্দৌলার বিলাসস্রোতঃ শতমুখে প্রবাহিত হইতেছে ; বাঙ্গালার ঘরে ষরে সে কথা প্রবাদের মত প্ৰচলিত হইয়া উঠিয়াছে। তখন - জগৎশেঠের ঐশ্বৰ্য্যের কথা সমস্ত ভারতে রাষ্ট । তাহার পর বিষম বিপ্লবে সবই পরিবর্তিত হইয়া গেল। মুর্শিদাবাদে মুসলমানের গৌরবরাবি অস্তমিত, --বৃটিশ-শাসন সমুদিত । আমরা কয়দিন সহার দেখিলাম। তাহার পর আরও দুই চার দিন থাকিবার জন্য বন্ধুর সনির্দিন্ধ অনুরোধ এড়াইয়া গৃহাভিমুখগামী হইলাম। • বন্ধু বহরমপুর হইতে নবালের প্রাসাদ পৰ্য্যন্ত সঙ্গে আসিয়া প্ৰাসাদ দেখাইয়া গৃহে ফিরিলেন । সন্ধ্যার সময় আমরা গঙ্গাতটো আসিয়া উপনীত হইলাম। তাহার পর নদী পার হইয়া পর পারে রেলওয়ে ষ্টেসনে আসিলাম । তখনও গাড়ী আসিতে বিলম্ব আছে । আমরা চেয়ার লইয়া প্ল্যাটফৰ্ম্মে বসিলাম । চন্দোদয় হইল। সম্মুখে বালুকায় গঠিত উচ্চ তাঁটের নিয়ে চৈত্রের মন্দপ্ৰতি গঙ্গা বহিয়া যাইতেছে। বামে নৈশগগনপটে জৈন মন্দিরের চুড়া