পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/২০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


సిe rá is ; : Yr বৰ্য-৩য় সংখ্যা । নিৰ্বাণ ও হিন্দুরা যোগ আখ্যা প্ৰদান করেন, যাহাতে অবস্থিত হইলে মানুষ দেবতা হয়, মাগধ ভাস্কর সেই মহাশক্তির ভাব বিগ্ৰহে আনিতে চেষ্টত । এই চেষ্টায় প্রাচীন কালের অসমগঠন বিরাট প্রস্তরখণ্ডগুলি মহিমান্বিত দেববিগ্ৰহে পরিণত হইয়াছে। সেই সকল সিংহবৎ তেজস্বী অথচ মায়ামুক্ত, বিরাটকায় অথচ নিষ্কম্পদীপাবৎ প্ৰশান্ত আদর্শ পুরুষ মূৰ্ত্তি দেখিলে অন্য সর্ব প্রকার চিত্র বা প্ৰস্তর মূৰ্ত্তি আমাদের চক্ষুতে ক্ষুদ্র হইয়া পড়িবে। মগধ হইতে কপিলাবস্তু DDB DB BDBDDBDB BB S KBDDS DBBD BBBDBD DBDBDBB DE ED DDD BBDS DB BBB D S SDD DB DuDDD BDBDBBDS BDDDS DBBDB অভিপ্ৰায়ে প্ৰজাপারমিতার রূপ প্ৰস্তরে ক্ষোদিয়াছিলেন, ইহাতে সন্দেহ নাই । এই প্ৰজ্ঞাপারমিতা মহাযানপন্থী বৌদ্ধগণের প্রধান দেবতা। ইনিই ধৰ্ম্মস্ত্রীরূপা। দয়া ইহার প্রধান লক্ষণ। আলোচ্য মূৰ্ত্তিখানি নিরঞ্জন ভট্টাচাৰ্য্যের ক্ষতচিহ্ন ধারণ করিতেছে ; কিন্তু তথাপি ইহঁর ওষ্ঠা ধরে যে সৰ্ব্বজনমনোহর হাস্তের একটু বিকাশ আছে, তাহা অনিন্দ্য দেবহাস্য, নরজগতে ইহার উদাহরণ বিরল। ঘুমন্ত শিশুর হাস্তের সঙ্গে এই হাসির একটু সাদৃশ্য আছে। হস্তের ভঙ্গী ও অবয়বের প্রতি দৃষ্টি করুন, ইনি যেন শরীরী হইয়াও অশরীরী। দেহে পূর্ণযৌবনলক্ষণ বিদ্যমান, কিন্তু ইহঁর শরীর যেন করুণার ছায়ামাত্র। ইনি চিন্ময়ী প্ৰতিমা । বরপ্ৰদায়ী হস্তের ভঙ্গীতে হৃদয়ের করুণা আভাসে ব্যক্তি হইতেছে। মুখমণ্ডল ও সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দ্বারা যেন ভাস্কর করুণাকে জীবন্ত করিতে প্ৰয়াসী। তিনি বিগ্ৰহকে উপলক্ষ করিয়া যেন স্বৰ্গীয় ভাবটিকে শরীরে পরিণত করিয়াছেন। সেই ভাব দেবীর রাতুল পদযুগলে, সকরুণ দৃষ্টিতে, সুধামধুর হাসিতে ও সমস্ত অবয়ব-ভঙ্গীতে যেন ফুটিয়া উঠিয়াছে। যুবতী নারী বিশ্বমাতৃরূপে প্ৰকাশ পাইয়াছেন। গাঙ্গুর গ্রামের, এই বিগ্ৰহ কোন পাল রাজা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হইয়া কতকাল পূজা পাইয়াছিলেন, কে বলিতে পারে ? স্বাধীন বঙ্গনৃপতির শিৱস্থিত মণিমুকুটের জ্যোতিতে কতবার ইহঁর চরণানখর উজ্জ্বল হইয়াছে, কে বলিতে পারে ? কত নরনারীর আনন্দ-কোলাহলে, কত পুরোহিতের করুধুত দীপাবলীতে ইহঁর আরতি হইয়াছে, কে বলিবে ? নিৰ্ম্মল কুসুম যেরূপ ছিন্নদল হইয়াও তাহার স্বৰ্গীয় সুষমাটুকু রক্ষণ করে, উন্মত্ত মুসলমানের কৃপাণে বিক্ষত হইয়াও সেইরূপ এই মুখমণ্ডলের অপূর্ব দেবহাহুতটুকু এখনও সম্যক লোপ পায় নাই। মাগধকলাশিল্পী যে দেৰভাব আয়ত্ত করিয়াছিলেন, সেই হাসিটুকু তাহারই ইতিহাস