পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/২৬১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


३8९ • • আৰ্য্যাবৰ্ত্ত। » 3K-8í Ren কীটগুতত্ত্ব। (ইতিহাস । ) বহু বৈজ্ঞানিক পচনশীল দ্রব্য হইতে কীটাগুর স্বতঃজননে বিশ্বাস করিতেন। নীডহ্যাম ইহাদের মধ্যে অগ্রগামী। তিনি লক্ষ্য করেন, মাংসখণ্ডকে সিদ্ধ করিয়া জলের সহিত বোতলে ছিপি বদ্ধ করিয়া রাখিলে, তাহাতে জীবাণু, উৎপন্ন হয়। ১৭৬৮ খৃষ্টাব্দে বনেট এই মতের প্রতিবাদ করিয়া বলেন, মাংসখণ্ডেই জীবাণুর বীজ বর্তমান ছিল, বা বােতলের মধ্যস্থ বায়ুতে জীবাণু, বিচরণ করিতেছিল। স্প্যালানজেন পৰীক্ষাদ্বারা বনেটের মতের সমর্থন করেন। তিনি একটি কাচপাত্ৰে মাংস সিদ্ধ করেন এবং মাংস যখন সিদ্ধ হইতেছিল, তখন পাত্রের মুখ বন্ধ করিয়া দেন। পাত্রিমধ্যে জীবাণুর উৎপত্তি লক্ষিত হইল না। পরে একটি ক্ষুদ্র ছিদ্রপথে পাত্রিমধ্যে বায়ু প্ৰবেশ করাইলে জীবাণু উৎপন্ন হইতে লাগিল। এই পরীক্ষাফলে নির্ভর করিয়া আপাট মাংসের ও উদ্ভিজ্জ পদার্থের পচননিবারণে সমর্থ হইয়াছিলেন। নীডহাম এই মতের প্রতিবাদ করেন এবং টী-ভারনাস বলেন যে, জীবাণুর স্বতঃজননের জন্য বায়ুর অবস্থান ও অবস্থা-বিশেষ প্রয়োজন। তিনি বলেন, বোতলে বায়ু ছিল এবং সেই বায়ু অবস্থান্তর প্রাপ্ত হইয়াছিল। স্প্যালানজেন এই মতের প্রতিবাদ করেন ; কিন্তু পরীক্ষাদ্বারা কোন স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হইতে পারেন নাই। ১৮৩৬ খৃষ্টাব্দে সুলজি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাদ্বারা নীডহ্যামের মত দৃঢ়তর ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি একটি কাচপাত্রের অৰ্দ্ধাংশ চুয়ান জলে পূর্ণ করিয়া তাহাতে নানাপ্রকার প্রাণীজ ও উদ্ভিজ্জ বস্তু নিক্ষেপ করেন ও একটি ছিদ্রিত ছিপি দিয়া পাত্রটির মুখ বন্ধ করেন। পরে তিনি প্রত্যেক ছিদ্রপথে একটি করিয়া কাচনল সমকোণ ভাবে বক্র করিয়া প্ৰবেশ করাইয়া দেন। ঐ পাত্রটি সিদ্ধ করিলে জলীয় বাষ্প দুইটি নল দিয়া বাহির হইয়া গেল। তখন তিনি প্ৰত্যেক নলে দুইটি স্থূলমূল নলের (bulb tube) একটিতে কসটিক পটাশের সরবৎ ও অপরটিতে সালফিউরিক অ্যাসিড দিয়া aspiration দ্বারা কাচপাত্রে 臀 বাহিরের ধায় প্রবেশ করাইয়া দেন। ঐ বায়ু সালফিউরিক অ্যাসিডের মধ্য দিয়া গমনকালে কীটাৰ্জিত হয়, এবং পত্রিমধ্যে কাঁটাণুর উৎপত্তি পরিলক্ষিত হয় না। কিন্তু বায়ু সালফিউরিক অ্যাসিডের মধ্য দিয়া না ঘাইলে অল্পকালমধ্যেই