পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/২৬৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ફેઇલ્યુ ? ? আৰ্য্যাবৰ্ত্তiांवर i ལག་--བྱསོན་གrit রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণবীর। , বঙ্গবাসী অধুনা রাজকীয় সেনাবিভাগে প্ৰবেশলাভ করিতে সম্পূর্ণ অনধিকারী ; এমন কি, অনেক বিদেশীয়ের নিকট বাঙ্গালী ভীরু ও কাপুরুষ বলিয়া গণ্য ; কিন্তু এমন দিন গিয়াছে, যখন আব্রাহ্মণচণ্ডাল সকল বঙ্গবাসীই সেনাবিভাগে প্ৰবেশ করিতে অধিকারী ছিলেন-রাজপুরুষদিগের নিকট কেহই ভীরু বা কাপুরুষ বলিয়া নিন্দিত ছিলেন না ; বরং তঁাহারা মুসলমান রাজগণের পার্থে * থাকিয়া তাহদের দক্ষিণহস্তস্বরূপ বহিঃশত্রু হইতে দেশরক্ষা করিতেন । তঁহার অসাধারণ বীরত্বের পরিচয় দিয়া জাতীয় ইতিহাসে চিরপ্রসিদ্ধ হইয়া রহিয়াছেন। বাঙ্গালার ইতিহাসের আলোচনা করিলে দেখা যায় যে, ১৩৪৮ খৃষ্টাব্দে বঙ্গের হিন্দুমুসলমানের মধ্যে অপুৰ্ব্ব মিলন সংঘটিত হইয়াছিল। ঐ বৎসর ফখৰ উদ্দীন মুজফফর মুবারক শাহ দিল্লীশ্বরকে অমান্য করিয়া সুবর্ণগ্রাম অধিকারপূর্বক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ঐ সময়ে পূর্ববঙ্গের প্রধান প্ৰধান হিন্দু জমীদার তাহার সহায় হইয়াছিলেন। মুবারক যাহাঁদের আনুকূল্যে স্বাধীন হইয়াছিলেন, তাহাদিগকে উপযুক্ত খেলাত ও জায়গীর দিয়া সম্মানিত করিয়াছিলেন। কিন্তু এ সদ্ভাব স্থায়ী হয় নাই। মুবারক স্বজাতীয় আমীরওমরাহগণের পরামর্শে অল্প দিন পরেই হিন্দু সামন্তবর্গকে অবজ্ঞা করিতে লাগিলেন ; এবং সেইজন্য অত্যািক্সকালমধ্যেই তঁহায় অধঃপাতের সুত্রপাত হইল। তঁহারই অদ্ভু্যদয়িকালে পশ্চিম বঙ্গে শামসুদ্দীন ইলিয়াস। তঁহারই নীতির অনুসরণ করিয়া হিন্দু জমিদারগণের সাহায্যে আপনার সৌভাগ্যপথ প্ৰশস্ত করিবার অবসর খুজিতেছিলেন। মুবায়কের হিন্দুবিদ্বেষের পরিচয় পাইবামাত্র তিনি সদলবলে বাঙ্গালী নৌসেনাগণের সাহায্যে মুবারককে আক্রমণ ও সুবর্ণগ্রাম অধিকার করিলেন। তৎপুর্বেই দিলীর সম্রাটু ফিরোজশাহ শামসুদ্দীনকে দমন করিবার জন্য সসৈন্যে রাঢ়দেশে উপস্থিত হইয়াছিলেন। পশ্চিম বঙ্গের বহু হিন্দু জমীদার ফিরোজশাহের পক্ষাবলম্বন করেন । “তারিখই-মুবারকশাহী’ ও ‘তারিখ-ই-ফিরোজশাহী” পাঠে আমরা অবগত হই যে, তৎকালে পূর্ববঙ্গের অনেক সম্রান্ত ব্যক্তি ইলয়াসের পক্ষাবলম্বন করিয়াছিলেন। এমন কি, সহদেব নামে একজন বাঙ্গালী বীর বঙ্গা ধিপের সেনাপতি হইয়া দিল্লীশ্বরের বিরুদ্ধে ঘোরতর যুদ্ধ চালাইয়াছিলেন। অবশেষে ।