পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৩০৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাষাণের কথা । ( ७ ) শিল্পিগণের কাৰ্য্য শেষ হইল। কতদিনে শেষ হইল তাহা আমি বলিতে পারি না। তোমাদিগের গণনা অনুসারে সে বোধ হয় দীর্ঘকাল । দিন আসিত, দিন যাইত, প্ৰতিদিন শ্রমজীবিগণ নগর হইতে আসিত, সন্ধ্যাসমাগমে আবার চলিয়া যাইত ; তখন রক্ষিগণ আমাদিগের রক্ষণের ভার লাইত। এইরূপ ভাবে যে কতদিন গেল তাহা যদি বলিতে পারিতাম, তাহা হইলে একটি রাজ্যের ইতিহাসের এক পৃষ্ঠা বলিয়া যাইতে পারিতাম। শিল্পিগণের কাৰ্য্য শেষ হইল। ক্ৰমে শ্রমজীবিগণের সংখ্যা বৰ্দ্ধিত হইতে লাগিল। ক্ষোদিত পাষাণ পৰ্ণশালা হইতে বাহির হইয়া যথাস্থানে নীত হইল। তোমরা বলিয়া থাক যে, গুরুভার পাষাণ দ্বিসহস্ৰ বৎসর পূর্বে মানবগণ কর্তৃক কিরূপে ইতস্ততঃ চালিত হইত, তাহা বিস্ময়ের বিষয়। কিন্তু বস্তুতঃ তাহা নহে। পৰ্ণশালাসমূহ হইত্তে স্তুপ নিৰ্ম্মাণের জন্য নির্বাচিত ক্ষেত্ৰ পৰ্য্যন্ত পঞ্চহস্ত বিস্তৃত পথ প্ৰস্তুত হইয়াছিল। সে পথের ইষ্টক এখনও সে প্রান্তরে পড়িয়া আছে। যেরূপ শকটে আমরা পৰ্ব্বতের সানুদেশ । হইতে নগরে আসিয়াছিলাম, তক্ষণকাৰ্য্য শেষ হইলে সেইরূপ শকটে আরোহণ করিয়াই আমরা স্তপক্ষেত্রে নীত হইয়াছিলাম। শত শত শ্রমজীবীর সমবেত চেষ্টায় আমরা যথাস্থানে ন্যস্ত হইয়াছিলাম। ইহাতে বিস্ময়ের কিছুই নাই। সে কথা সকলের প্রিয় হইবে না। নিৰ্ম্মাণকাৰ্য্য শেষ হইলে, প্ৰতিখণ্ড প্ৰস্তর যথাস্থানে ন্যস্ত হইলে আমরা কিরূপ আকার ধারণ করিয়াছিলাম, তাহাই বলিয়া যাই। স্থপতিগণ যখন সৌধ নিৰ্ম্মাণ করে, তখন তাহাদিগের কাৰ্য্যে নয়নপ্ৰীতিকর কিছুই থাকে না, কিন্তু সমগ্ৰ সৌধ নিৰ্ম্মিত হইলে, তাহা সত্য সত্যই আনন্দবৰ্দ্ধক হইয়া থাকে । ক্ষেত্রমধ্যে অৰ্দ্ধগোলকাকার স্তপ নিৰ্ম্মিত হইল ; সমান্তরালে, সমভাবে, LBD DBDBDB sBBED BBDDB BDDBD LBBD DDD শুপ নিৰ্ম্মিত হইল । শেষে তাহার কয়েকখণ্ড প্রস্তরমাত্ৰ পড়িয়া ছিল ; আর অশ্মীরাশি নিকটবৰ্ত্তী LBDDBBK DBuDD DBKS DDtE S DBDDBBLL sLBDBB BDBDS এতদিনে হয়ত সে কয়খানিও অন্তহিত হইয়াছে। এখন সেই রক্তবর্ণ, মসৃণ, প্রস্তরে নিৰ্ম্মিত অৰ্দ্ধগোলকাকার বিশাল স্তপের পরিবর্কে কি দেখিয়া আসিয়াছ ? শ্রমজীবি