পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৩৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


डig, se०१ । নদীয়া জিলার সিদ্ধ যোগী । Q96S অবস্থাও বেশ সচ্ছল ছিল। সুবল চৌধুৰী বৎসরান্তে কালীপূজা করিত ; এই উপলক্ষে সে তাহার প্রতিবেশী কোন উচ্চ বর্ণের ভদ্রলোকের বাড়ীতে গ্ৰাম্য ভদ্রলোকদিগের অ্যাহারাদির আয়োজন করিত ; কিন্তু সে সময় সমাজের বন্ধন এ কাল অপেক্ষ দৃঢ়তর ছিল বলিয়া, ভদ্রলোকের বাড়ীতে ফলহারের আয়োজন হইলেও, হিন্দুধৰ্ম্মে নিষ্ঠাবান বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তিগণ এই নিমন্ত্রণ গ্ৰহণ করিতেন না। একদিন বলরামচন্দ্ৰ কালীপূজার পরে একজন ব্ৰাহ্মণবংশীয় প্রৌঢ়কে কথাপ্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করিলেন, “সুবল চৌধুরী এবার আপনাদের খাওয়াইল কেমন ?” বলরামের কথা শুনিয়া তিনি সরোষে বলিলেন, “বলাই, তুমি কোন সাহসে আমাকে এমন জাতিনাশা। কথা বলিতেছ ? তুমি কি মনে কর, চামারের নিমন্ত্রণ লইয়া আমি তথায় খাইতে যাইব ?” বলরামচন্দ্ৰ বলিলেন, “ঠাকুর, এত চটিলে চলিবে DD KBDBBD DBD DD DBBDB KLBDS DiBB BD DD BB DBDBB মা, যাহার বাড়ীতে গিয়া অনায়াসে খাইয়া আসিতে পারেন, তাহার বাড়ীতে পাত পাড়িলে আপনার জাতি যাইবে, এ কিরূপ কথা ? জাতি যাইবার ভয় যদি এত অধিক হয়, তাহা হইলে আগে মা কালীকে একঘরে করুন, তিনি যখন সুবল চৌধুরীর বাড়ীতে গিয়া পূজা খাইয়াছেন, তখন আর র্তাহার পূজা করা আপনাদের উচিত নহে।” বলরামের আখড়ায় উৎসবের সময় তঁহার একজন দুৱােদশস্থ ব্ৰাহ্মণ শিষ্যকে নীচ জাতীয় শিষ্যগণের সহিত এক পংক্তিতে বসিয়া ভাত ও “আমানি” খাইতে দেখিয়া একজন সেই ব্ৰাহ্মণনন্দনকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, “বাপ হে, তুমি ব্ৰাহ্মণের ছেলে হইয়া কিরূপে হাড়ির ভাত খাইতেছ?”-বলরামের সেই শিস্যটি বিন্দুমাত্র অপ্ৰতিভ না হইয়া বলিয়াছিল, “ব্ৰাহ্মণের ভাত ও হাড়ির ভাত এক স্থানে থাকিলে কোন ভাত কাহার, পূৰ্ব্বে না জানিয়া যদি আপনি তাহা বলিয়া দিতে পারেন, তাহা হইলে আমি স্বীকার করিব, অন্যায় করিয়াছি।” GF직 শ্ৰীদীনেন্দ্ৰকুমার রায়।