পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৩৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হতবুদ্ধি হইতে হয়। বালক রাঙ্কিন তাহার পিতার সহিত সৌন্দৰ্য্যের রম্য কানন স্কটল্যাণ্ডে ঘুরিয়া বেড়াইতেন—সেই পৰ্বতমালাশোভিত, সমুদ্রবিধৌত, সরোবরখচিত, অরণ্যরাজিত, স্বভাবশোভার প্রমোদভবন-স্কটল্যাণ্ড রাস্কিনের সুকুমারচিত্তে সুষমার বীজ বপন করিয়াছিল, তাই তিনি বড় হইয়া সৌন্দৰ্য্যের সাধনায় সিদ্ধিলাভ করিতে পারিয়াছিলেন। জীবনচরিতলেখক এই কথাটি ভাল করিয়া বুঝাইয়া দিলেন, আমরাও বুঝিয়া তৃপ্ত হইলাম। কিন্তু একটি কথার মীমাংসা হইল না, বাল্যকালে সৌন্দৰ্য্যের শ্ৰী যাহাদের নয়নসমক্ষে উদঘাটিত হয়, তাহদের মধ্যে কতজন রাস্কিনের মত হষ্টতে পারে? অরণ্য জঙ্গলে ঘুরিয়া কতজনে ওয়ার্ডসওয়ার্থের মত বনদেবতার আবির্ভাব অনুভব করিতে পারিয়াছে ? “এইজন্য আমার বোধ হয়, মানবজীবনের আলোচনায় কাৰ্য্যকারণধারা আমাদিগকে बश्न DDD DBDBDS KLBD DDD SS S BDBBB BBD BBDBDDBS S BDB "~উপেক্ষা করিতেছি না। অনেক চিরন্তন সতাই আমরা কাৰ্য্যাকরণ-শৃঙ্খলে বাধিয়া রাখিতে পারি না । মানবজীবন তাহাদেরই মধ্যে একটি । কোন অজ্ঞাত প্ৰদোষে, স্বাতী নক্ষত্রের শিশিরবিন্দু পড়িয়া এই মানবসমাজের গুক্তিমধ্যে প্ৰতিভারূপ মুক্ত জন্মগ্রহণ করে, তাহা আমরা অনেক চেষ্টা করিয়াও জানিতে পারি না। আমরা কেবল প্ৰতিভার বিকাশ দেখিয়া সম্রামে ও বিস্ময়ে মুক ও মৌন হইয়া থাকি । প্ৰতিভার রাসায়নিক বিশ্লেষণ সম্ভব না হইলেও, প্ৰতিভাসম্পন্ন মহৎ ব্যক্তিদিগের জীবনচরিতের আলোচনায় যে প্ৰভূত উপকার সাধিত হয়, তাহা সভ্যজগতের সর্বত্রই স্বীকৃত হইতেছে। স্মৃতিসভা করিয়া, জীবনচরিতের ব্যাখ্যা করিয়া, আলেখ্য বা মৰ্ম্মরে প্রতিকৃতি রক্ষা করিয়া একটি জাতি. তাহার উপদেষ্টা বা নেতার চরণে যে কৃতজ্ঞতার পুষ্পাঞ্জলি প্ৰদান করে, তাহা সেই জাতীয়হদায়ের স্বাভাবিক স্পন্দনমাত্র। এরূপ না করিলে একটি গুরুতর জাতীয় কৰ্ত্তব্য হইতে স্বলিত হইতে হয়। চন্দ্রনাথ বাবু নিজে কিন্তু জীবনবৃত্ত অনাবশ্যক মনে করিতেন। তিনি লিখিয়াছেন; “ব্যক্তিবিশেষের স্মৃতিরক্ষা করিবার উদ্দেশ্যে * যদি জীবনচরিত লেখা হয়, তাহা হইলে জীবনচরিত লিখিবার কিছুমাত্র আবশ্যক নাই। মৃত্যুর পরেও থাকে, কোনও লোকের জীবনে এমন কিছু থাকিলে । ; সে লোকের জীবনচরিত না লিখিলেও তাহ থাকিবে । মানুষের প্রাচীন গুরুদিগের জীবনচরিত কেহ কখনও লিখে নাই, কিন্তু তঁাহারা সকলেই জীবিত আছেন। মৃত্যুর পর যাহা থাকিদার নয়, জীবনচরিত লিখিলেও তাহা ।