পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৪০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


AAAAS SSS SS SSES SSAA SS0SSASEAASSEEESSSSSSESSS SSE Sg S iiiS S SiiiiS S S S S S A A S SS SS SSA S ASA SAAAA S S SAAS S S . ". . . . . :,"* قس . . ه . ."',.. "'... .. ܣܛܕ." ".ننه . . . . a . . . ..l. . . . ; ۔ ۔= " " + SJL eSySy eSeSkS eMSJSySqBLSDSSeSSS L SAYLLLL -- rur . : : " ، . . " " * ث ۔ ...... ۔ ......ئ :"۔. . . . . . . . 京鸭” : v .. vʻ; t . . . . . . . . : - . . . . . . . . .ه . . " : . . . . . . " "ቌ. I . . " ' " . আনন্দে আত্মহারা হইয়া সে স্ফীতবক্ষে জননীর পদমূলে কৃতজ্ঞতা : चांनॉरेTTSLIEZ ! বাঙ্গল কমলার আশ্চৰ্য্য সৃষ্টি । বাঙ্গলার মাঠে মাঠে, বাঙ্গলার নির্জন প্রান্তরে, বাঙ্গলার ‘সারাদিন পাখী-ডাক, ছায়ায় ঢাকা পল্লীবাটে,’ বাঙ্গলার “শালতালাতমালসন্ধুল, বিহঙ্গকণ্ঠাকুল, ঘন, বিজন, কাননে, ‘ধীরগভীর-প্রবাহ-ধার নদনদী’র ঘুমপাড়ানিয়া গানে মুখরিত বাঙ্গলার শ্যামল কোমল দূৰ্বাময় উন্মুক্ত ক্ষেত্রে, বাঙ্গলার ‘আমি বনঘেরা সহস্ৰকুটীরে, দোহনামুখর গোষ্ঠী’, বাঙ্গলার ‘ছায়া-বটমূলে যে নিত্যকল্যাণময়ী, সৌন্দৰ্য্যপূর্ণ মাতৃমূৰ্ত্তি সাঁতত বিরাজমান,— তাহার উপমা বিশ্বে নাই! এ যে-“ত্রিভুবনে নিরুপমা ; কি দিব উপমা ।” * - বাঙ্গলায় যড়ঋতুর খেলা অনন্ত-সৌন্দৰ্য্যজড়িত। বাঙ্গলায় বসন্ত কি এক অনৰ্ব্বচনীয় মূৰ্ত্তিতে আপনার সৌন্দৰ্য-ভরা হৃদয়ের একখানি স্বপ্নময় ছবি বিকাশ করে। সে যেন কোন অজানা রাজ্যের মধুর মূৰ্ছিনাময়ী গীতি,-সে যেন আশার উল্লাসময়ী বাণী,—সে যেন অব্যক্ত ভাষায় প্ৰেমরাজ্যের দ্বার-উদঘাটন। ধীরে ধীরে মধু আসিল ; সতী প্ৰকৃতি—জীর্ণ পত্রসারা ক্ষীণা প্ৰকৃতি নবীন অতিথিকে সাদরে আবাহন করিয়া, আপনার দীন উপহার অতিথির চরণমূলে অর্পণ করিলেন!! অতিথির আশীষে ক্ৰমে ক্ৰমে তাহার নীরস অঙ্গে কোমল কিশলয় রাজি মুঞ্জরিত হইয়া উঠিল! বুক্ষে বৃক্ষে, লতায়, গুল্ম নবীন পেলাবপল্লবরাশি থরে থরে সাজিয়া উঠিল! ক্ৰমে ক্রমে সেই লোহিত পল্লবরাশি শ্যামল সুন্দর ঘন পত্রাচ্ছাদন হইয়া উঠিল! শাখায় শাখায়, লতায় লতায় আর ফুল ধরে না ! সারাদিন তরুমৰ্ম্মর পবনে সুনিভৃত ছায়া কত মনের কথা বলাবলি করিল ! মুকুল-আকুল বকুলকুঞ্জভবনে সৌন্দৰ্য্য বিছাইয়া পড়িল । যখন তামালের কাল পাতাগুলি আরও কাল হইয়া উঠিল। যখন সে সৌন্দৰ্যরাশি শ্যামল মিগ্ধো জ্বল পল্লবে। আর ধরে , नी –ભૂમિોના সুন্দরীর লাবণ্যের মত হাসিয়া হাসিয়া, ভাসিয়া ভাসিয়া, ভাঙ্গিয়া গলিয়া, ঢলিয়া ঢলিয়া উছলিয়া পড়িতেছে, যখন তাহার কোলের কুসুমের সৌরভে আকাশ মাতিয়া উঠিতেছে।--তখন সেই কাল পাতার ঘন-অন্তরালে কাল কোকিল আপনার কাল শরীর লুকাইয়া, সাধা গলায় গাহিল-কুহু-কুহুকুহু! আবার যখন শুভ্ৰ-শরীরা নব-মল্লিকা উষার শিশিরে স্নাত হইয়া মলয় বাতাসে মুখখানি খুলি-খুলি খুলিতেছে না।—মুখ ফুটি-ফুটি ফুটিতেছে না। ;-যখন সেই অমল রূপরাশির লোভে মন্ত ভ্রমর ছুটাছুটি করিতেছে —ম্বখন লতা নূতন । শাখায় নুতন দোলন টাঙ্গাইয়া দুলিবার উপক্ৰম করিতেছে,-তখন তাহার সেই