পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৪৮৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


कांकि, ३७४१ । কবি রজনীকান্ত 8\ኃዓ summum me কিন্তু রজনীকান্তের হাসির গানে ও দ্বিজেন্দ্রলালের হাসির গানে 'প্রভেদও। বিস্তর। দ্বিজেন্দ্রলালের হাসির গান সভায়, মজলিসে, হাস্যতরঙ্গ উখিত করে সত্য, কিন্তু হৃদয়ে স্থায়ী হয় না। মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে এইরূপ অনাবিল হাস্য যে আবশ্যক, তাহাতে সন্দেহমাত্ৰ নাই। কিন্তু রজনীকান্তের হাসির গান ও BiiBDDBD DBDDBDB BBD D DDBD SYz DBDu DBBBDB LLLLY states বাস্তবিক, আমাদের বেশভুষা, কথাবাৰ্ত্তা ও আচারব্যবহারে সর্বপ্রকার অসঙ্গতি ও অসামঞ্জস্তম্ভই হাস্যরসের আকর। বর্তমান বঙ্গসমাজে চারিদিকেই হাস্যরসের প্রচুর উপাদান বৰ্ত্তমান রহিয়াছে। কিন্তু সুসঙ্গতির সীমারেখা ঠিক কোন স্থানটিতে অতিক্রান্ত হইলে হাস্যরসের উদ্ভব হয়, অনেকে তাহা উপলব্ধি করিতে পারেন না। সূক্ষ্মদৃষ্টিদ্বারা যিনি উহা নির্ণয় করিতে পারেন, তিনি হাস্যরসায়সিক । কন্যাদায়গ্ৰস্ত পিতার প্রতি পীড়ন, ব্ৰাহ্মণ পুরোহিতের অধঃপতন ইত্যাদি সুপরিচিত বিষয়ে রজনীকান্ত যে সকল ব্যঙ্গ কবিতা লিখিয়া গিয়াছেন, তাহা কেবলমাত্র হস্ত-অবতারণার উদ্দেশ্যে রচিত-কেহ এরূপ মনে করিতে পরিবেন। না। কপটাচার, ধৰ্ম্মভাব ও স্বার্থন্ধিতার প্রতি তীব্ৰ শ্লেষের বাণ নিক্ষিপ্ত করিতে কবি কোথাও কুণ্ঠিত হয়েন নাই। হাসির গানের ব্যপদেশে রজনীকান্ত সমাজের ক্ষতস্থানগুলি নির্দেশ করিয়া তাহাতে ঔষধপ্রয়োগের চেষ্টা করিয়াছেন। তাহার মুখে “বরের দর” সঙ্গীত শ্রবণ করিয়া এক বিবাহ-সভায় বরাকর্তা যৌতুকের ফর্দ সংক্ষেপ করিতে বাধ্য হইয়াছিলেন, এইরূপ শুনিয়াছি। “বরের দর” কবিতাটির শেষ পংক্তি এই-“দেশের দশা হেরে কান্ত করে অশ্রু বরিবণ।" -এই স্থানে কবি নিজের হৃদয় প্ৰকাশ করিয়া ফেলিয়াছেন। পূর্বেই বলিয়াছি, হাস্য রসের আবরণ দিয়া রজনীকান্ত র্তাহার মৰ্ম্ম-বেদনাই প্ৰকাশ করিয়াছেন। কঁহার কৌতুক হাসির সঙ্গে বেদনার অশ্রু মিশ্রিত -কমলাকান্তের ভাষা ঈষৎ পরিবৰ্ত্তিত করিয়া রজনীকান্ত বলিতে পারিতেন । “হাসির ছলনা করি কঁাদি।” DDB BBS BHK DLD BBBDBS BDDD DgDD BBD DiDD BBDYS এক ঈশ্বরের কম্পনমাত্রার প্রকারভেদ-হাসি এবং অশ্ৰণ্ড সেইরূপ হৃদয়ের উত্তেজনার মাত্রাভেদমাত্র । আমাদের অন্তরে একটা সুসঙ্গতি ও সামঞ্জস্য