পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৫৫৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(লঙ্কা। ৯৩) সুতরাং বেদ যে আৰ্যসমাজের ব্রাহ্মণগণেরই কেবল সম্পত্তি ছিলঃ তাহা নহে। তখন আৰ্য অনাৰ্য সকলেই বেদ-পাঠে অধিকারী ছিলেন। । , তখন মহামহােপাধ্যায় বেদজ্ঞ পণ্ডিতগণের ভিন্ন ভিন্ন উপাধি ছিল। . ঋক্ । বেদজগণ হােতা, যজুৰ্বেদজগণ, অধ্বৰ্য্যু ও সামগায়কগণ উদগত উপাধিতে । ভূষিত হইতেন। ত্ৰিবেদজগণ ব্ৰহ্মা উপাধিতে পরিচিত ছিলেন। . . . তখন ঋষিগৃহে শিস্যগণ অধ্যয়ন করিতেন। ঋষিগণও স্বস্ব অভিজ্ঞতা অনুসারে শাস্ত্ৰাদির অধ্যাপনা করিতেন। অধ্যাপনার বিষয়গুলি “শাস্ত্ৰ” নামে অভি° ? হিত হইত। প্রত্যেক বিদ্বান ব্ৰাহ্মণেরই শত সেবক রাখিবার প্রথা ছিল।” । এই শত সেবকের ভরণপোষণের ব্যয় অধ্যাপককেই বহন করিতে হইত। অধ্যা- ? পকগণ ধনবান ও রাজাদিগের নিকট যথেষ্ট উৎসাহ ও প্রচুর সাহায্য প্রাপ্ত । হইতেন। রাজা দশরথ বেদজ্ঞ ব্ৰাহ্মণদিগকে প্রভূত ধন ও দেশাদি দানে সম্মান । প্ৰদৰ্শন করিয়াছিলেন । ( অ-১৪ ) কিরূপে “শাস্ত্রে"র অধ্যাপনা হইত, লিখিত গ্ৰন্থাদির সাহায্যে হইত কি ? মৌখিক শিক্ষাদান প্ৰণালী তখন প্ৰবৰ্ত্তিত ছিল, তাহার সম্বন্ধে রামায়ণে সবিশেষ । উল্লেখ দৃষ্ট হয় না। রামায়ণের সময় ভারতে লিখন-প্ৰণালী প্ৰবৰ্ত্তিত ছিল বলিয়া রামায়ণে কোন | चांडांग थiर्थ क्ष७म्र श्रiभ न। ভারতবর্ষে বর্ণমালা উদ্ভাবিত হইবার পূর্ব হইতেই রচনা-প্ৰথা প্ৰবৰ্ত্তিত হইয়াছিল। সেই সকল রচনা মহর্ষিগণের স্বাভাবিক মনোভাব হইতে ফুরিত ও জনগণের স্মৃতিতে সংরক্ষিত হইত। বেদ প্রভৃতি যে সকল সুপ্রাচীন মন্ত্র পরবর্তী । কালে সংগৃহীত হইয়া গ্ৰন্থাবদ্ধ হইয়াছে সে সকল রচনাকালেই লিখিত ও গ্ৰন্তা- ? কারে পরিণত হয় নাই। বেদ মন্ত্র ও অনুশাসনগুলি রচিত হইয়া শ্রীতি স্বভিন্ন সাহায্যে প্রচারিত হইত বলিয়া সেগুলি যথাক্রমে শ্রুতি ও স্মৃতি নামে অভিহিত । हेब्रां उभांजिब्रांछि । . ইহার পর ক্ৰমে ব্যাকরণ, বর্ণমালা পরিকল্পিত হইয়। বেদাঙ্গের উদ্ভব হইয়াছে। : রামায়ণে ব্যাকরণের উল্লেখ আছে। সুতরাং রামায়ণের সময় বর্ণমালার অবয়ব কল্পিত হইয়াছে , এইরূপ অনুমান করা যায়। ইহার পর ক্ৰমে । ক্ৰমে, মুত্রা লিপি, ধাতুলিপি, প্রস্তরলিপি প্রভৃতি প্রবর্তিত হইয়া, লেখনিসম্ভব লিপিঃ আরম্ভ হইয়াছে-ইহাই লিপিপ্রবর্তনের ক্রম-বিকাশের ইতিহাস বলিয়া, प्न .. LSLSSLSLSSLSLSSLSLSGSLGLLLLSSSLLLSLLLL GLSGSLSLSLSL

  • না বিশ্বাল ব্ৰাহ্মণঃ কশ্চিমাশতাঙ্গুচৱন্তথা ॥১১৪১১