পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৬১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দুৰ্দশা। শিলাসার পুরুষ রমণীর আদর কি বুঝিবে ? সে আপনার উদ্ধত গৰ্বে আপনি অন্ধ-আত্মসুখেই তাহার তুপ্তি। তাই কবি বলিয়াছেন,- "अहांएन डडांभर्डौद-' , eSDBB DBDBD S BDB DSSiuSit DBDD DDD DBBB SBuDYS চু্যত করে নাই, বরং সাদরে প্রেমধারাদানে তাহার দীনতা দূর করিতে সর্বদাই সচেষ্ট ।” w “বিন্ধ্যের সে কাৰ্য্য স্বাৰ্থসঞ্জাত। রেবা নহিলে কে তাহার নীরসন্তা সরস । করিবে ; শুষ্ক, কঠোর, ধূসর শিলাদেহ স্নিগ্ধ-শ্যামে সুশোভিত করিবে ?” “রেবাকে সেই অধিকার দানেই বিন্ধ্যের দয়ার পরিচয় ।” “না। কালিদাস পরবর্তী শ্লোকেই তাহা বুঝাইয়াছেন। ষে পূর্ণতা গৌরবজনক-যে পূর্ণতা প্রাপ্ত হইলে মেঘকে অনিলও বিচলিত করিতে পারে না, -সে পূর্ণতা রেবার দান। নারীই পুরুষের সম্পূর্ণতার কারণ। যত দিন সে সম্পূর্ণতালাভ না ঘটে, তত দিন তুচ্ছ ঘটনার আঘাতে পুরুষের হৃদয় চঞ্চল ও ইতস্ততঃ ভ্ৰাম্যমান হয়। রমণী পুরুষকে সম্পূৰ্ণ করে—তাহাকে গৌরবগৰ্ব্বালাভে সমর্থ করে।” প্রেমিকপ্রেমিকার প্রণয়পূর্ণ-প্ৰণয়োস্তৃত কথোপকথন, কথায় কথায় কথা । বাড়িয়া যায়। যখন এ উহার বাক্যসুধাপান-পিয়াসী তখন কি কথার শেষ হয়? তখন দেখিতে দেখিতে সময় কাটিয়া যায়, সে দিকে কাহারও লক্ষ্য থাকে.না। দম্পতীরও তাঁহাই হইতেছিল। দেখিতে দেখিতে যে সময় যাইতেছিল, সে দিকে লক্ষ্য করিবার অবসর কাহারও ছিল না। উভয়ে উভয়ের সংসর্গসুখে তন্ময়। হায়-প্ৰেম জগতে যদি তুমি ব্যতীত আর কিছু না থাকিস্ত, তবে জগৎ কি সুখেরই হইত ! . রেবা জিজ্ঞাসা করিল, “কবে আমাকে তোমার গৃহে লইয়া যাইবোপু” : ; সৈনিক হাসিয়া বলিলেন, “আমার গৃহ বুঝি তোমার গৃহ নহে?” । । ৱেবা লজ্জিত হইল,-বলিল, “কবে আমাদের গৃহে যাইব ?” . . রেবা স্বামীর গৃহ ও স্বামীর স্বজনগণকে দেখিবার জন্য ব্যাকুলা হইয়াক, ছিল। সে নূতন জীবনে প্ৰবেশ করিয়াছে, তাই সে সেই জীবনে মাহাত্মা । সঙ্গী তাহদের সন্ধান করিতেছিল। . . . . . সৈনিক বলিলেন, “আমি অবসর পাইলেই তোমাকে লইয়া যাইব৷ ” , “” । রেবা জিজ্ঞাসা করিল, কবে অবসর পাইৰে * . . . ' '