পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৬৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“. . : “ : . : . . . " ་ s সহ করিতে ছিলেন—যথাসম্ভব তাঁহার তিরস্কারে উপেক্ষা প্রদর্শন করিতেছিলেন, কিন্তু পিতৃকুলের নিন্দা শ্ৰবণে র্তাহার সে ভাব অন্তৰ্হিত হইল। সহসা তাহার নয়নযুগল ওড়কলিকার ন্যায় লোহিতবর্ণ ধারণ করিল এবং সমস্ত শরীর থর থর করিয়া কঁাপিতে লাগিল। কিন্তু তথাপি তিনি নারীসুলভ সহিষ্ণুতা পরিহার করিলেন না । বিজাতীয় ক্ৰোধে ও নিদারুণ প্ৰতিহিংসানলে দেহ মন প্ৰজ্বলিত হইয়া উঠিলেও তিনি বাক্যের দ্বারা তাহা প্ৰকাশ পাইতে দিলেন না । তিনি বহুকষ্ট্রে উখিত হৃদয়বেগ দমন করিয়া, ত্বরিতপদে সে স্থান হইতে চলিয়া গেলেন। সামন্তভামিনী স্বীয় শয়নকক্ষে প্ৰবিষ্ট হইয়া দ্বারারুদ্ধ করিয়া দিলেন এবং স্বামীর তথাবিধ দুৰ্ব্যবহারের প্রতিফল দিবার জন্য উপায়-উদ্ভাবনে প্ৰবৃত্তা হইলেন । অত্যন্নকাল মধ্যেই কৰ্ত্তব্য অবধারিত হইল। রাজ-মহিষী পত্রের দ্বারা পিতাকে সমস্ত ব্যাপার জ্ঞাপন করিয়া, তাহার দ্বারাই কুলনিন্দক স্বামীর শাস্তিবিধানে কৃতসঙ্কল্প হইলেন। অবিলম্বে মসীপাত্ৰ, লেখনী ও কাগজ আনীত হইল। রমণী পত্ৰলেখা শেষ করিলেন এবং রাত্ৰি প্ৰভাত হইবামাত্রই একজন বিশ্বন্ত দূতের দ্বারা পত্ৰখানি গোপনে বেইগুরাজ্যে আপনার পিতার নিকট পাঠাইয়া দিলেন। পত্রে সামন্তপত্নী জলন্ত ভাষায় স্বামীর অসদাচরণের কথা বিবৃত করিয়া পিতার ক্ৰোধ বৃদ্ধির চেষ্টা পাইয়াছিলেন এবং স্বামীর শাস্তিৰিধানদ্বারা কুলমৰ্য্যাদা অক্ষুন্ন রাখিতে পিতাকে অনুরোধ করিয়াছিলেন। বেইওরাজ দুহিতার পত্রপাঠে ঘূতষ্পষ্ঠ অগ্নির ন্যায় জ্বলিয়া উঠিলেন এবং জামাতার দণ্ডবিধান জন্য, নিজ কনিষ্ঠ পুত্র ও প্রভূত সেনাসহ তৎক্ষণাৎ ভাইসরোর অভিমুখে যাত্ৰা করিলেন। অন্ত্রীপ্রদেশের অভ্যন্তর দিয়া ভাইসরোর রাজ্যের সন্নিকটে উপস্থিত হইয়া, তিনি আপন সেনাদিগকে দুইভাগে বিভক্ত করিয়া ফেলিলেন এবং একভাগের ভার পুত্রের উপর ন্যস্ত করিয়া ও স্বয়ং অন্যভাগের নেতৃত্ব লইয়া বামুনা নদীর তীরপথে ধাবিত হইলেন। সামন্তকুমার পিতৃনির্দেশে সরলপথ অবলম্বন করিলেন এবং তাঁহার বহুপূর্বে ভাইসরোর দুর্গের সন্মুখীন হইয়া ভগিনীপতির বিরুদ্ধে, যুদ্ধ-ঘোষণা করিয়া দিলেন। সহসা এতদূর ঘটবে পরমার-পতি তাহা আশা করেন নাই এবং তজ্জন্য প্ৰস্তুত থাকিতেও পারেন নাই। অধুনা খালককে সসৈন্যে সমাগত ও শত্ৰুতাਸ਼ সমুন্তত দেখিয়া কিংকৰ্ত্তব্যবিমূঢ় श्छेमा श्रफ्रिान्गन । किङ् ठिनि छन्न পাইলেন না, রাজপুত-সুলভ সাহসে নির্ভর করিয়া, তৎক্ষণাৎ নিজ সেনাদল