পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৭৩৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఫిల్హెల్ప్స్** " + ', /* : ; , ; ........ ". .. ...: t; k; : * মাখ, ১৩১৭ বত্তমান বঙ্গসাহিত্য । ৭০৭: 冠 মৃত কোন লোক বিশেষের মত। ) ইত্যাদি। প্রত্নতত্ত্ব এইরূপ। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘স্পেশালের পত্র” ও “রামায়ণের সমালোচনা”। তবে কল্পনা-সম্ভত বলি কি রূপে ? আমার বিবেচনায় প্রত্নতত্ত্বে যে তথ্য বাহির হয় হউক। কিন্তু তৎসঙ্গে ", লিখিত ভাষার একটি শৃঙ্খলা ও নিয়ম বিধিবদ্ধ হওয়া উচিত। কথিত ভাষা : দেশকালভেদে পরিবৰ্ত্তিত হইতে পারে ও হয়ও ; কিন্তু কথিত ভাষাকে সাহিত্যে স্থায়ী স্থান দান করা কি যুক্তিসঙ্গত ? কথিত ও লিখিত ভাষার মধ্যে চিরন্তন প্ৰভেদ সকল দেশেই আছে। সাহি-1 ত্যের ভাষাই ভাষা শিক্ষার একটা উপায়। শ্ৰীযুক্ত দীনেশচন্দ্র সেন মহাশয় । বলেন, “লিখিত ও কথিত ভাষার মধ্যে একটা প্ৰভেদ আছে ও চিরকালই থাকিবে।” শ্ৰীযুক্ত দামোদর মুখোপাধ্যায় মহাশয় বলেন, “এক শ্রেণীর লেখক কেবলমাত্র প্রচলিত কথায় রচনার পক্ষপাতী ; সংস্কৃতের ও প্রাকৃতের সহিত বঙ্গভাষার যে অচ্ছেদ্য সম্বন্ধ আছে তাহার উচ্ছেদ করিতে র্তাহারা প্ৰায়াসী সত্যকে সত্যি, এবং মিথ্যাকে মিথো, সূৰ্যকে সুজি এবং রৌদ্রকে রন্ধর লেখা তাহাদের অভিপ্ৰায়! লিখিত ভাষায় এরূপ পরিবর্তনের কোনই আবশ্যক আমরা বুঝিতে পারি না। কথোপকথনের ভাষার সহিত লিখিত ভাষার পার্থক্য । থাকা আবশ্যক। ইংলণ্ড প্রভৃতি সভ্য জনপদের ভাষাতেও এইরূপ পার্থক্য । সযত্নে রক্ষিত হইয়া আসিতেছে।” -প্রবাহ, মাঘ, ১৩১১ । r এ কথা নিশ্চিত সত্য, কারণ দেখা যাইতেছে, কালিদাস লিখিবার সময় লিথিয়াছেন, “বালে দুৰ্ব্বক্ৰ পলাশপর্ণ” কিন্তু কথিত ভাষাতেও কি ঐ রূপ প্রয়োগ করিতেন ? জয়দেব কেশর ফুলকে কেশর ফুলই বলিতেন ; কিন্তু লিখিয়াছেন, “মদন মহীপতিকনকদগুরুচিকেশর কুসুম।” মধুসূদন মৰ্ত্তকে মৰ্ত্তাই বলিতেন; " কিন্তু লিখিয়াছেন, “উৰ্ব্বীধাম।” ইহা সম্পূর্ণ রুচিসঙ্গত। তাই বলিয়া Betamos-এর । মতে কথনের ভাষা সাহিত্যের অঙ্গে শোভা পায়, ইহা কি সঙ্গত ? যদি তাহ হয় । তবে শুধু রাজধানীর কথাই চলিবে কেন ? আমাদের উভয় বঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন জিলায় । ভিন্ন ভিন্ন ভাষার প্রচলন আছে ; সেগুলিও চলিতে পারে। যদি নব্য মতে, “কোনো,” “মতে,” “যাচ্ছি,” “গেলুম” চলে, তবে ঢাকার ‘ক্যান” । শ্ৰীহট্টের । “গাছলাম” “যাইৰাম” যশোহরের “খাতি পাল্লাম না,” বৰ্দ্ধমানের “ক্যানে ? গেইচি” নদীয়ার “ইনছিল।” বীরভূম, মানভূম অঞ্চলের চন্দ্ৰবিন্দু বহুল । ভাষা না চলিৰে কেন ? তবেই বঙ্গভাষা বহুরূপিণী হইবেন ; ও যে প্রদেশীয় ? লোকের রচনা, সে রচনা শুধু সেই প্রদেশেই বিচরণ কৱিৰে । অন্য প্রদেশেয়ঃ