পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৭৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৰ্ত্তমান বঙ্গসাহিত্য। . ( R ) আমার বক্তব্যগুলি আরও বিশদ ভাবে বলিতেছি - i. প্রথমতঃ, যে সমস্ত প্রক্ষিপ্ত বৈদেশিক শব্দ এই বঙ্গভাষায় আসিয়া ? পড়িয়াছে, সেগুলি যতদূর সম্ভব পরিত্যাগ করিয়া তাহদের স্থানে সুমার্জিত । সংস্কৃত শব্দ লইলে ক্ষতি কি ? . দ্বিতীয়তঃ, আমাদের স্বীয় ভােব প্ৰকাশ করিতে পরের দ্বারে ভাষা । ভিক্ষা করা কি বাঞ্ছনীয় ? এই ভাষা ভিক্ষাতেই বঙ্গসাহিত্যের আজিও : পূর্ণ উন্নতি হয় নাই। . . . তৃতীয়তঃ, ঐ ধার করা শব্দগুলিকে মাজিয়া ঘসিয়া সাহিত্যে । চালাইবার পন্থা করিয়া দেওয়াই কি সাহিত্য-সেবা ? . . স্বৰ্গীয় দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণের কথায় বলিতে গেলে “মড়াদাহ” “শবপোড়া” ভাষাই এই আধুনিক বঙ্গভাষা। যদি আমাদের সাহিত্যিকগণ । মনস্বিতার পরিচয় দিয়া এই সকল বৈদেশিক বাক্যগুলি বাহির করিয়া । তাহাদের সমাধবাচক বাঙ্গালা প্ৰতিশব্দ প্ৰকাশ করিতেন, তবে তাহাতে । ভাষার প্রভূত মঙ্গল সাধিত হইতে পারিত। বাঙ্গালা অক্ষরে কাব্য লিখিলেই: বাঙ্গালা হয় না। এই সব বৈদেশিক শব্দের সম্মিলনে যে বঙ্গভাষা স্বাক্ট ইিঞ্জ হইয়াছে, সে ভাষার কোনই নিয়ম বা শৃঙ্খলা নাই, ব্যাকরণ নাই, স্বাতন্ত্ৰ্য । নাই। যদি বঙ্গভাষায় অনভিজ্ঞ কোন ব্যক্তি বঙ্গভাষা শিখিতে চাহেন, তিনি । কিছুই শিখিতে পরিবেন না। বরং তিনি দেখিবেন যে, বঙ্গভাষী সকল : ভাষার সংমিশ্রণে একটি অদ্ভুত ভাবা-শঙ্কর। কিছুদিন পরেই হয় তা কোন ? * প্রত্নতত্ত্ববিৎ বালিবেন, বঙ্গদেশে মুসলমান ও ইংরাজ রাজত্বের পূর্বে কোন? ভাষাই ছিল না। frviff, Bishop Caldwell, Anderson, athmor. Kay প্রভৃতির সহিত এক মতাবলখী হইয়া বলিবেন যে, ইহা একটি অনাৰ্য জাতির দুৰ্বোধ্য ভাষা। : -