পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৭৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১ম বর্ধ-১১শ সংখ্যা। মা%কিন্তু পুরুষানুসারে ক্রিয়াপদে বিভক্তিযোগ হইয়া থাকে। যে বিষয়ে স্নায়া ব্যঙ্গাপন করিতে হইবে, তাহার যে পুরুষ হইবে, বক্তব্যাবাচক শব্দেরও সেই গুরুষ হইবে। এই জন্য প্রত্যেক ক্রিয়ার তিন প্রকার রূপ-পরিবর্তন হয়। :বিষয়বাচক শব্দের ন্যায় ক্রিয়া শব্দের ও সংখ্যানুসারে পরিবর্তন হইয়া থাকে, এবং যে বিষয়ে বাক্য-রচনার প্রয়োজন হয়, তাহার ষে বচন বক্তব্যাবাচক শব্দেরও সেই বচন হইয়া থাকে। এইরূপে প্ৰত্যেক ক্রিয়া শব্দ তিন প্রকার পুরুষ এবং তিন প্রকার বচনের ফলে নয় প্রকার অর্থ क्रि নয় প্রকার চিন্তু ধারণ করে। খুঁড়ে আবার কাল প্ৰকাশ করিতে হইলে সংস্কৃত ভাষায় বিশেষ পন্থা অবলম্বন করিতে হয়। কতকগুলি বিশেষ চিন্তু দ্বারা কাল, এবং বক্তশ্বর ইচ্ছা, এবং বক্তা বিষয়ের সহিত বক্তব্যের সম্বন্ধ যে ভাবে প্রকাশ করিতে ইচ্ছা করেন এই সমুদায়ই এক সঙ্গে ব্যক্ত হয়। এই চিত্নসমূহ দশ ভাগে বিভক্ত। সুতরাং সৰ্ব্বসমেত প্রত্যেক ক্রিয়াশব্দও নব্বই প্রকারে পরিবর্তিত হইয়া নব্বই প্রকার অর্থ প্ৰকাশ করিতে পারে। : এতদ্ব্যতীত, প্রত্যেক ক্রিয়া শব্দের মৌলিক রূপই পরিবৰ্ত্তিত হইয়া যাইতে পারে। ইচ্ছা, প্রেরণা প্রভৃতি অর্থ প্রকাশ করিবার জন্য বক্তব্যাবাচক শব্দগুলি মূলতঃই পরিবৰ্ত্তিত হইয়া নুতন শব্দের স্বষ্টি করিয়া থাকে। এইরূপ মুক্তন শব্দ চারি প্রকারের। এই নূতন শব্দগুলিরও পুরাতন শব্দের ন্যায় ভিন্ন ভিন্ন বচন, পুরুষ, কাল, প্ৰথা প্ৰভৃতি অনুসারে নব্বই প্রকার বিভিন্ন আকৃতিগত পরিবর্তন হয়। সুতরাং, প্রত্যেক ক্রিয়া শব্দ ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্ৰকাশ করিবার জন্য তিনশত ঘাট, প্রকার রূপ ধারণ করে। : এই সকল রূপ-পরিবর্তনের সঙ্গে বাক্য পরিবর্তন করিলে ক্রিয়ার যে রূপপরিবর্তন হয়, তাহারও গণনা করিতে হয়। * তৃতীয়তঃ, বিষয়বাচক শব্দের বিশেষক-সমূহ। যে সমুদায় বস্তু বা ব্যক্তিবাচক শব্দের বিশেষকস্বরূপ এইগুলি ব্যবহৃত হয়, তাহাদের যেরূপ। লিঙ্গ, স্বাচন প্রভৃতি নিম্পন্ন হয়, ইহাদের ও সেইরূপ লিঙ্গাদি পরিবর্তন হইয়া থাকে। "ইহারা চারিশ্ৰেণীতে বিভক্ত ; বিশেষ্য, বিশেষণ, সৰ্ব্বনাম ও ক্রিয়া। বিশেষ্য শব্দগুলি তিন প্রকারে বিষয়বাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বিশ্লেষক হইতে পারে-প্রথমত, সরল ও অযুক্তভাবে ; দ্বিতীয়তঃ অঙ্গ টুম্বন্ধেৱ সহিত মুক্ত ও সমাসবদ্ধ হইয়া ; তৃতীয়তঃ, সম্বন্ধ পদের রূপ প্রাপ্ত