পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৮৩৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


STTSSSSSS SBBuDBSSeSeS DD DiiiALD BEELS হই সফল ফসলের আবাদ করিতেছে। এই সকল ফসল আমাদের দেশের নহে। SyBDBigBD DDB BDD DDB DDDBD DD ggBD DBDBDBD BBB BBB হইয়াছিল। . এক্ষণে সেই সকল ফসল আমাদের দেশের জলবায়ু সহ করিয়া জার্মাদের দেশের ফসলমধ্যে পরিগণিত হইয়াছে। ভুট্টা, গোল আলু, চীনা বাদাম, তামাক, বঁধাকপি, বিটপালং, পোপে, নানাবিধ উৎকৃষ্ট শ্রেণীর ধান্য, ইক্ষু, কদলী প্রভৃতি বিদেশ হইতে আনীত ফসল। এই সকল ফসল এক্ষণে * আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণে জন্মাইতেছে এবং কৃষকরাও এই সকল ফসল উৎপন্ন করিয়া বেশ লাভ করিতেছে। আমাদের পূর্ব পুরুষগণ আলু না &খাইয়া কিরূপে যে জীবনধারণ করিতে সমর্থ হইয়াছিলেন, তাহা এখন আমরা ধারণাই করিতে পারি না। আলু আজকাল আমাদের প্রধান তরকারী। এখনও পুৱীধাম প্রভৃতি স্থানে দেবসেবায় আলু ব্যবহৃত হয় না, নৈবেদ্যাদিতে মৰ্ত্তমান কলা দেওয়া হয় না। এ সকল ম্লেচ্ছাজশসস্তৃত সামগ্ৰী। হুতরাং লাভজনক নূতন ফসলের আবাদ করিতে আমাদের কৃষকরা অসম্মত “মহৈ এবং জনসাধারণও সেগুলি তাহাদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যরূপে গ্ৰহণ করিতে স্বীকৃত।

; (২) নূতন সারের ব্যবহার। পূর্বে যে সকল সারা কৃষকরা ব্যবহার করিত না, এক্ষণে তাহারা সেই সকল সার ব্যবহার করিতেছে। খইল পূর্বে * সাররূপে ব্যবহৃত হইত না, এক্ষণে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হইয়া থাকে। * সেইরূপ অনেক জিলায় নীচজাতীয় কৃষক অস্থিচূর্ণ ব্যবহার করিতেছে। তবে । অস্থিচূর্ণ ব্যবহার করা হিন্দু আচারের অনুমোদিত নহে, তাই সকল কৃষক এখনও ইহা ব্যবহার করে না। সুতরাং যদি তাহাদের ধৰ্ম্মে না বাধে এবং যদি তাহারা দেখে যে, মূল্যবান সার প্রয়োগ করিয়াও তাহারা ক্ষেত্রোৎপন্ন শস্য হইতে অধিক পরিমাণে লাভ করিতে পারে, তাহা হইলে তাহারা বিনা আপত্তিতে সেই সকল সারের ব্যবহার করিবে। সবজী, সার (Green manuring) পূর্বে আমাদের দেশে প্রচলিত ছিল না। ধঞ্চে, শোন, নীল, চীনাবাদাম গুন্থনি শম্ভ আবাদ করিলে যে, জমির তেজ কমিয়া না গিয়া বৰ্দ্ধিত হয়, একথা "পূৰ্ব্বে’কৃষকগণ জানিত না। এক্ষণে অনেক কৃষক সবজী, সার ব্যবহার করিতেছে। পাবনা, ময়মনসিংহ প্রভৃতি নানাস্থানের কৃষকরা জমীতে পুঁটু গোনের চাষ করার পর পাটের . थावान कब्रिनों, अठाउ डेद्रिा अौछ cप

প্তমী, এক্ষণে পাশ্চাত্য কৃষিবিদগণের সংস্পর্শে আদিয়া কৃষকরা সেই