পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জ্যৈষ্ঠ, ১৩১৭। নিরুদেশ যাত্ৰা । ৭৯ বালিকার দিনান্তে এই উষ্ঠানে আসিয়া পরম আনন্দ লাভ করিত। তাহাদের সরলতময় সুন্দর আননে আনন্দবিকাশ লক্ষ্য করিয়া সুৰ্য্যকান্তের হৃদয় যুগপৎ আনন্দে ও বিষাদে পুর্ণ হইত। এইরূপে একবৎসর কাটিয়া ce O yo ক্রমে এমনই দাড়াইল যে, সুৰ্য্যকান্ত মধ্যাহ্ন হইতে উদ্যানে বালকবালিকাদিগের আগমনের প্রতীক্ষা করিতেন। যাহারা নিত্য আসিত তাহাদের মধ্যে একজন না আসিলে তিনি বিষগ্ন হইতেন । ইহাদিগকে লইয়া তিনি শূন্য হৃদয়ের এক অংশ পূর্ণ করিতে চেষ্টা করিতে লাগিলেন। এমনই ভাবে তাহার দিন যাইতে লাগিল। যখন সন্ধ্যা হইত, বালকবালিকারা। যে যাহার গৃহে চলিয়া যাইত, তখন সুৰ্য্যকান্তের মনে হইত-বিশাল বিশ্বে র্তাহার কোন কায নাই-তঁাহার জীবনের কোন সার্থকতা নাই। র্তাহার গৃহের নিকটস্থ ‘বস্তি’ হইতে যে সকল বালকবালিকা তাহার DLLDD DBB DzYDD DBBD KBD D BBB BBB gBDDS i আসিল । তাহার পরিধানে ছিন্ন বসন-কোমল চরণদ্বয় নগ্ন। তাহার মুখে হাসি নাই-পরন্তু নিবিড় বিষাদান্ধকার ব্যাপ্ত। তাহাকে দেখিলে অকাল জলদোদয়ে সঙ্কুচিত প্ৰভাতপদ্মের মত বোধ হয়। যে বয়সে চাঞ্চল্য ও চপলতা স্বাভাবিক সেই বয়সে বালকের মুখে গাম্ভীৰ্য্য ও বিষগ্রভাব সপ্ৰকাশ। বালককে দেখিয়া সুৰ্য্যকান্তের দয়া হইল ; তঁহার হৃদয়ে স্নেহের উৎস উচ্ছসিত হইয়া উঠিল। তিনি তাহাকে বক্ষে লইবার চেষ্টা করিলেন ; বালক যে বালিকার সহিত আসিয়াছিল। তাহার বসন চাপিয়া ধরিল। সুৰ্য্যকান্ত তাহাকে নানাবিধ ফুল দিতে চাহিলেন ; বালক লইল না। সূৰ্য্যকান্ত তাহাকে নানা কথা জিজ্ঞাসা করিলেন ; বালিক উত্তর দিল না-কেবল একবার বিষঃ দৃষ্টিতে র্তাহার দিকে চাহিল। সূৰ্য্যকান্ত তাহার সঙ্গিনীকে জিজ্ঞাসা করিয়া কেবল ইহাই জানিতে । পারিলেন যে, কয়দিন পূর্বে তাহার পিতার মৃত্যু হইয়াছে, তাহার আশ্রয়হীনা বিধবা জননী পুত্রকে লইয়া ‘বস্তিতে’ স্বামীর এক বন্ধুর আশ্রয়ে আসিয়াছেন । দেখিতে দেখিতে বায়ুকোণে ঘন ধূসর মেঘ, পুঞ্জীভূত হইতে লাগিল ; দিবসের শেষ আলোক মলিন হইয়া উঠিল। যেন সহজাত-সংস্কার-বশে