পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/১০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२२२ আশুতোষ-স্মৃতিকথা র্তাহার বসিবার ঘরটায় যাইয়া তদীয় বিশাল কেদারায় বসিয়া যুবকটিকে ডাকাইলেন। সে বেচারী তাহাকে আশুতোষ বলিয়া চিনিতে পারিয়া ভয়ে ও সঙ্কোচে আড়ষ্ট হইয়া গেল। আশুতোষ তাহার সমস্ত কথা শুনিয়া আশ্বাস দিলেন এবং একখানি 'প্লেটে মিষ্টান্ন আনাইয়া তাহাকে উদরপূৰ্ত্তি করিয়া २ाeद्माशेशू छाष्ट्रिशा हिब्लन् । হীরালাল বন্দ্যোপাধ্যায় নামক র্তাহার এক আত্মীয় সর্বদা ৭৭ নং বাড়ীতে যাতায়াত করিতেন। ইনি একটু অদ্ভুত প্ৰকৃতির লোক ছিলেন ; ২০ বৎসর ইনি সুন্নান করেন নাই। হাওয়াকে তিনি যমের মত ভয় করিতেন। অনেক সময় পাছে এই দুরন্ত, চঞ্চল হাওয়া কোন রন্ধ-পথে তাহার দেহে প্ৰবেশ করে, এই আশঙ্কায় তিনি কৰ্ণমূলে তুলা গুজিয়া আত্মরক্ষা করিতেন। আকাশে একটু বাদলার ভাব দেখিলে তিনি ভীত হইতেন। এবম্বিধ হীরালাল বন্দ্যোপাধ্যায় একদিন ডিসেম্বরের কনকনে হাওয়ার মধ্যে মধুপুরে ‘গঙ্গাপ্রসাদগৃহে’ আশুতোষের পার্শ্বে বসিয়া আছেন ; তঁাহার কাণে যথা-রীতি তুলা গোজা, এবং সেই ঠাণ্ডা বাতাস পাছে তঁাহাকে ছুইয়া ফেলে, এই আতঙ্কে তিনি নিজের দেহটি খুব পুরু জামায় আচ্ছাদিত রাখিয়াছেন। আশুতোষ র্তাহার দিকে তাকাইলেন না,-যেন অন্যমনস্কভাবে একটি চাকরকে বলিলেন,- “শীত্ৰ এক বালতি ঠাণ্ডা জল লইয়া আয়।” আদেশ প্ৰতিপালিত হইলে তাহার ইসারায় ভূত্যটি সেই বড় বালতিটির সমস্ত ঠাণ্ডা জল হীরালালবাবর মাথায় ঢালিয়া দিল। তখন যে হৈ-চৈ, চীৎকার আরম্ভ হইল, এবং হীরালাল বাবু উৰ্দ্ধবাহু হইয়া যেরূপ দেহভঙ্গী করিতে লাগিলেন, তাহা অদূরে উপবিষ্ট আশুতোষ বেশ প্ৰশান্তভাবে উপভোগ করিয়াছিলেন । আমাদের ল-কলেজের ভাইসপ্রিন্সিপাল শ্ৰীযুক্ত বিরাজমোহন মজুমদারকেও একদা এইরূপ একটা কৌতুকের পাত্ৰ হইতে হইয়াছিল। সেদিন শ্যামাপ্রসাদের গায়ে-হলুদ। স্নেহময় পিতা খুব খোস-মেজাজে ছিলেন। বিরাজবাবু যেমনই গৃহে ঢুকিয়াছেন, ऊाभनद्दे लिछन छुछे८ङ আশুতোষ এক বালতি হলুদ-জল তাহার সর্বাঙ্গে ঢালিয়া দিলেন। অনেক টাকা খরচ করিলে যে আমোদ-প্ৰমোদ না হইত, বিরাজবাবুর উপর হলুদ-জািল বর্ষণে গৃহের সকলে সেই আনন্দ বিনা খরচায় উপভোগ করিলেন ; আবিষ্ঠা