পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/১৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Sebro why st-freel BDSB BBDuuDSDDuD BDL BDB DBD S BDB SB DDSS বিন্যাসাগর-কলেজ তাহার নিজের কলেজ, যদিও উচ্চশিক্ষা-কল্পে এই প্ৰতিষ্ঠান বাঙ্গালী KBB BBDDB SDg BD DBDDBDD0S DDDDS DDB DD DBBBD DBBBS TBB S বঙ্গদেশকেও লক্ষ্য করে নাই। তঁহার সাহচর্য্যে বা সংস্পর্শে যাহারা আসিয়াছে, তাহারাই তঁাহাকে ভাল করিয়া দেখিবার সুযোগ পাইয়াছে। আমরা তঁহাকে কোন বড় প্ৰতিষ্ঠান বা যা জনসাধারণের কৰ্ম্মক্ষেত্রে দেখিতে পাই না ; দেবমন্দিরের মধ্যে যেরূপ পুষ্প-বিম্বদল-মণ্ডিত হইয়া দেবতাটি ভেক্তকে দর্শন দিয়া তাহাব চক্ষু সাৰ্থক করেন, বিদ্যাসাগরও তেমনই র্তাহার গৃহ ও পরিবারের গণ্ডির মধ্যে থাকিয়া স্বৰ্গীয় দয়ামণ্ডিত হইয়া প্রার্থীর মনস্কামনা পূৰ্ণ করিয়াছেন। কিন্তু আশুতোষের প্রখর ব্যক্তিত্ব ও উদ্দিষ্ট লক্ষ্য সুদূর প্রসারিত, তাহার মহিমা কোন গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ ছিল না। তঁহাকে আমরা স্বজাতি ও স্বদেশ হইতে বিচ্ছিন্ন করিয়া দেখিবার সুযোগ পাই না, বৃহৎ প্ৰতিষ্ঠানের মধ্যে জনসাধারণের হিতার্থ সঙ্কল্পিত বৃহৎ কৰ্ম্মক্ষেত্রের মধ্যে আমরা তঁহাকে উজ্জ্বল রূপে যেরূপ দেখিতে পাই, ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে র্তাহাকে তেমন করিয়া পাই না । তিনি যখন সভামণ্ডপে সমবেত জনমণ্ডলীর মধ্যে দাড়াইতেন, তখন বাদেগবী তাহার ভূজা শ্রয় করিয়া তাহার বাক্যের প্রেরণা জোগাইতেন। তিনি তখন । যাহা কহিতেন, তাহা বৰ্ত্তমান ও ভবিষ্যৎ বাঙ্গালীজাতির হিতার্থ পরিকল্পিত, বৃহৎ ভবিষ্যৎ কৰ্ম্মতালিকার মুখবন্ধ-স্বরূপ। বিদ্যাসাগরের দয়ার অবধি ছিল না,-পথের ভিখারী হইতে কবি-শাৰ্দ্দল মাইকেল মধুসূদন পৰ্যন্ত সকলেই সেই দয়া উপলব্ধি করিয়াছেন। শীতাৰ্ত্ত, অনাহারে ও উৎকণ্ঠায় জীর্ণ, পথিপার্শ্বস্থ পতিতারাও তাহা হইতে বঞ্চিত হয় নাই। তিনি ছিলেন। দয়ার উৎস, তাহার কাছে যে আসিত, সে-ই সেই স্বৰ্গীয় দয়ার অংশ লাভ করিয়া কৃতাৰ্থ হইত। আশুতোষেরও গোপনীয় দান অজস্র ছিল, কিন্তু সমধিক পরিমাণে সেই দান ব্যক্তিগত না হইয়া সাধারণের হিত উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত, সুবৃহৎ কোন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্ৰকাশ পাইত। লোকশিক্ষা অপেক্ষা বড় দান কিছু হইতে পারে না। যিনি চক্ষুতে দৃষ্টি-শক্তি দান করেন, সেই দানই সৰ্ব্ব দানের সেরা । গুরু চক্ষুরুন্মীলন করেন, অন্ধকার হইতে লোককে জ্ঞানের আলোকে আনয়ন করিয়া। এই দৃষ্টি-দান অপেক্ষা জগতে বড় দান আর কিছুই নাই, গুরু অপেক্ষ বর দাতা আর কেহই নাই। আশুতোষ শিক্ষার বৃহত্তম প্ৰতিষ্ঠানের শত দ্বার ও শত গবাক্ষের পথে জাতীয় দৃষ্টি মুক্ত করিয়া দিয়াছিলেন। বিদ্যাসাগর ভক্ত ও প্রার্থীর কামনা পূর্ণ করিয়াছেন-গৃহে অধিষ্ঠিত দেবতার মত বরাভয়যুক্ত হন্ত প্রসারণ করিয়া ; কিন্তু আশুতোষের দান প্রার্থী ও অ-প্রার্থীর মধ্যে কোন বিভেদ রাখে নাই। তিনি যাহা দান করিয়া গিয়াছেন, তাহার ফল। ভঁাহার হস্তচু্যুত হইয়াই