পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/১৮৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিশিষ্ট &bや পুরি না যে, ভারতবাসীরা কোন কাজে অসমৰ্থ, তা” সে কাজ যতই দুষ্কর বা আয়াসসাধ্য シ5cm al (エ * * * ママ* “কিসের দৈন্য, কিসের দুঃখ, কিসের লজ্জা, কিসের ক্লেশ ?” একবার ঐক্যবদ্ধ হইয়া কাৰ্য্যে প্ৰবৃত্ত হও, দিগদৰ্শন-যন্ত্রের ন্যায় একদিকে লক্ষ্য রাখিয়া ব্ৰতানুষ্ঠান করা,-সাফল্য নিশ্চিত ।” কথায় বলে-“নানান, দেশের নানান ভাষা” if বিনা স্বদেশী ভাষা পোরে কি আশা ?” আশুতোষ ইহা মৰ্ম্মে মৰ্ম্মে বুঝিয়াছিলেন। একলব্যের নীরব সাধনার ন্যায় তিনি গোপনে বঙ্গভাষার কল্যাণময়ী মূৰ্ত্তি ধ্যাননেত্রে অবলোকন করিতেছিলেন, কেমন করিরা ভাষা-জননী শ্ৰীবৃদ্ধিশালিনী হয়,-পৃথিবীর সর্বত্র তাহার আদর হয়-ইহাই ছিল তাহার কামনা, এই মহা অাশা বুকে লইয়া তিনি কৰ্ম্ম-পথে অগ্রসর হইতেছিলেন, কোথায় কি উদ্দেশ্যে তিনি গড়া-পেটা করিতেছিলেন, তাহা তখন অনেকেরই বুঝিবার মত অন্তদৃষ্টি ছিল না। বঁকিপুর দশম বঙ্গীয় সাহিত্য-সম্মেলনের অধিবেশনে আমরা তঁহার মুখ হইতে শুনিতে পাইয়াছিলাম-“মানুষের কত স্বপ্ন থাকে, আমার ঐ একই স্বপ্ন ছিল। একটা ধারণা আমার দৃঢ় ছিল যে, যে জাতির মাতৃভাষা যত সম্পন্ন, সে জাতি তত উন্নত ও অক্ষয় ।...কবে এমন দিন আসিবে, যখন আমার শিক্ষিত দেশবাসিগণ আচারে-ব্যবহারে, কথায়-বাৰ্ত্তায়, চাল-চলনে প্ৰকৃত বাঙ্গালীর মতন হইবে। কবে দেখিব, দেশের র্যাহারা মুখপাত্ৰ-স্বরূপ, সমাজের র্যাহার নেতা, বঙ্গভাষা তাহাদের আরাধ্য দেবতা । কবে শুনিব শিক্ষিত বাঙ্গালী আর এখন বাঙ্গালা ভাষায় সর্বসমক্ষে কথা বলিতে বা প্ৰকাশ্য সভা-সমিতিতে বঙ্গভাষায় বক্তৃতা করিতে সঙ্কোচ বোধ করেন না, বা বঙ্গবাসী নিজেকে বঙ্গভাষার সেবকরূপে পরিচয় দিতে কুষ্ঠিত হ’ন না। আজ ভাবিতেও শরীর কণ্টকিত হয়, নয়নে আনন্দাশ্র উদ্ভূত হয় যে, সেদিন আসিয়াছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গভাষার আসন পড়িয়াছে। বঙ্গের তথা বঙ্গভাষার ইহা পরম কল্যাণের কথা । বাঙ্গালীর ইহা *भ भांश्लष्फc ।” এখানে আমরা বঙ্গভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের একটু সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিব । আমি প্রত্নতত্ত্বের গভীর গবেষণার দিকে যাইব না। অতীত যুগের তুলনায় বৰ্ত্তমান * ভাষার প্রসার-বৃদ্ধির মূলে আশুতোষের যে কত বড় কৃতিত্ব ছিল তাহা বুঝাইতে হইলে **টু পুরাণ কথা বলা আবশ্যক। শুধু সেজন্যই সংক্ষেপে একটু প্ৰাচীন কথা বলিতেছি। ‘’’ বেশী দিনের কথা নয়, যে সময়ে বিদ্যাসাগর, অক্ষয়কুমার, রাজেন্দ্রলাল, মহবি দেবেন্দ্রনাথ *ইতি মনীষিগণ বঙ্গভাষার উন্নতিকল্পে মনোযোগী হইয়াছিলেন, সে সময়ে শিক্ষিত বাঙ্গালীর চক্ষে বঙ্গসাহিত্য তেমন আদরণীয় ছিল না। ১৮৯১ খৃষ্টাব্দের ১লা মার্চ