পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/১৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


စfဒျူftဖွဲ့ Str( আজ সেদিন আসিয়াছে। ভবিষ্যতে আরও আসিবে । ধীরে ধীরে বঙ্গ-সাহিত্য দুহার আশ্রিত-বাৎসল্য কি ভাবে গড়িয়া উঠিয়াছে, সর্বত্র সমাদৃত হইতেছে, আজ ত কথা কাহারও অবিদিত নাই। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্ৰবেশিকা হইতে এম, এ, পৰ্য্যন্ত বঙ্গভাষী অধীত হইতেছে-বাঙ্গালার স্কুল-কলেজে বাঙ্গালার শিক্ষক ও অধ্যাপক নিযুক্ত হইয়াছেন। আজ জননী বঙ্গভাষা সর্বত্র আদরণীয়া । বাঙ্গালা ভাষার এই প্রসার-প্রতিপত্ত্বির মূল স্যার আশুতোয্যের প্রভাব যে, কত বেশী, তাহাত আজ কাহাকেও নূতন করিয়া বলিত্যুে হয় না । চৌদ্দ পানের বৎসর পূর্বে “বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ হইতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গভাষা অধীত হইবার প্রস্তাব, আমার যতদূর মনে হয়, প্ৰথম উত্থাপিত হইয়াছিল, তার পর বদ্ধমান সাহিত্য-সম্মেলনেও এ বিষয় প্ৰস্তাবিত এবং সমর্থিত হইয়াছিল ; কিন্তু ; শ'ল। ল: য়ল নেতারা সে কথা। কানে শোনেন নাই । বঙ্গ-ভারতী দীন ও উপেক্ষিতা ভাবেই কাল কাটাইয়াছেন, কিন্তু যে দিন আশুতোষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্ণধারী-রূপে হাল পরিলেন, সে দিন মরা গাঙে বান ডাকিল-দীন, মলিনা, উপেক্ষিতা বঙ্গ ভারতী বিশ্ববিজয়িনী রূপে আবিভূতি হইলেন। দিকে দিকে মঙ্গল-শঙ্খ বাজিয়া উঠিল-বাঙ্গালীর জন্ম হইল,-জয়পতাকা সগৌরবে উডীয়মান হইল । দীন, দরিদ্র সাহিত্য-সেবকগণ তাহার করুণাদৃষ্টিতে পরীক্ষক নির্বাচিত হইলেন, অধ্যাপকের আসন পাইলেন-প্ৰাচীন কীট-দষ্ট পুথির পাতা উল্টাইয়া বাঙ্গালা সাহিত্যের প্রাচীন কবিগণের কাব্য-পরিচয়ের সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্য, ইতিহাসের পরিচয় দিয়া ধষ্ট হইলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশ্রেষ্ঠ উপাধি-পরীক্ষার জন্যও বাঙ্গলা সাহিত্য, ইতিহাস প্রভৃতি সঙ্কলিত হইল। বাঙ্গলা ধন্য হইল-বাঙ্গলা সাহিত্যের গৌরব বৃদ্ধি পাইল । বিশ্ব-বরেণ্য কবি ডাক্তার রবীন্দ্রনাথ, ডাক্তার দীনেশচন্দ্র সেন এবং জগত্তারিণী-পদক *** গৌরবাধিকারী সুপ্ৰসিদ্ধ ঔপন্যাসিক শ্ৰীযুক্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাহারই গুণथोट्टैऊॉन জন্য সম্মানিত হইয়া বাঙ্গল সাহিত্যের সম্মান বৃদ্ধি করিয়াছেন । ऊँशब्रशे पड़ ও উৎসাহে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হইতে কত প্ৰাচীন সাহিত্য-গ্ৰন্থ সুসম্পাদিত হইয়া 2ी का aिड হইতেছে

  • Ifর আশুতোষের মহানুভবতা ও স্নেহ আমি বিশেষ ভাবে অনুভব করিয়াছিলাম, * বার বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিশন উপলক্ষ্যে তিনি ঢাকায় আগমন করেন। সে সময়ে আমার * "স্বীপাদ, হিতৈষী বন্ধু ঢাকা জগন্নাথ কলেজের অধ্যক্ষ রায়বাহাদুর শ্ৰীযুক্ত সত্যেন্দ্ৰ"* *** এম, এ, মহাশয়ের অনুরোধক্ৰমে আমি “বঙ্গ সাহিত্যের ক্রম বিকাশ’ সম্বন্ধে ‘গী প্ৰবন্ধ পাঠ করিয়াছিলাম। স্যার আশুতোষের সভাপতিত্বে আমি সেই প্ৰবন্ধ ঢাকা নর্থব্রুসন্মুখউন্মুক্তক হলের প্রাঙ্গণে পাঠ করিয়াছিলাম, সহরের বহু শিক্ষিত ও সন্ত্রান্ত