পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


༣ wycysf-f মৃত্যু: ; ইহার দীর্ঘকাল শয্যায় পড়িয়া বিন্দু বিন্দু করিয়া নিঃশেষ হ’ন না। কেশব সেন মৃত্যু-শয্যায় শুইয়াও একটা গুরুতর ইংরাজী প্রবন্ধের প্রািফ দেখিতেছিলেন ; মৃত্যুকালে তাঁহার বয়ঃক্রম হইয়াছিল ৪৫ ৷ কৃষ্ণদাস পাল এই একই বয়সে ‘হিন্দু পেটিয়টের প্রবন্ধ চিন্তা করিতে করিতে মৃত্যু-মুখে পতিত হইলেন। ইহারা কাল-বৈশাখী,-ঝড়ের বেগে কোন স্থানে আসিয়া প্ৰাচীন আবর্জনা উড়াইয়া নূতন জগতের প্রতিষ্ঠা করিয়া আবার ঝড়ের মতইচলিয়া যান। বাইরণ সম্বন্ধে এক কবি যাহা লিখিয়াছেন, ইহাদের সম্বন্ধেও তাহা সতী :-- “He came and went like a shooting star, dazzlin: and perplexing”-তিনি আসিয়াছিলেন একটি জ্বালাময়, কেন্দ্ৰচুৰ্যত গ্র দুর মত, জগৎ তাহার আগম ও নিৰ্গম বিস্মিত নেত্ৰে অবাক হইয়া দেখিয়াছিল। . আশুতােষকে নর-শাৰ্দলই বলুন, আর পুরুষ-সিংহ, কিংবা অল পাহাই বলুন, সেই সকল শক্তি তাহার মনের। তাহার দেহের আয়তন দর্শনী হলেও সেই অসামান্য মনের যোগ্য বাহন তাহা ছিল না ; সে প্ৰচণ্ড শক্তি উহ! কাল বহন করিতে পারে নাই । তাহার জীবনে বারংবার উৎকট পীড়া হইয়াছে এবং বোধ হয় প্র ি সরই গ্রীষ্মকালে তাহার শরীর ভাল থাকিত না। এণ্টন্স পরীক্ষা দি পূর্বে প্ৰায় এক বৎসর কােল তিনি গুরুতর রোগ ভোগ করিয়াছিলেন ; ১৮৭ খৃষ্টাব্দে গ্রীষ্মকালে তাঁহার মস্তিষ্ক-রোগ ও আনুষঙ্গিক সুন্নায়ু-দুর্বল ত হইয়া তাত কে বহু কষ্ট দিয়াছিল ইহার হয়। বৎসর পরে ১৮৮১ খৃষ্টাব্দের গ্রীষ্মকালে তাহার মস্তিক্ষের যন্ত্রণা অতীর্ণ তীব্র হয় এবং ঐ সময়ের কিছু পরে তিনি টাইফয়েড রোগে আক্রান্ত হ’ন। ১৮৮২ খৃষ্টাব্দের মে মাসে শিরঃপীড়ায় ভুগিয়া তাহাকে আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য কলিকাতা ছাড়িয়া ব্যারাকপুরে যাইয়া থাকিতে হইয়াছিল। বৎসরের এপ্রিল, মে ও উপায় থাকী কালীন তিনি যে সকল পত্র লিখেন, তাহার ಕ್ಷೌ: দুইখানির হস্তলিপির ব্লক “বঙ্গবাণী’ নামক মাসিক পত্রিকায় প্ৰকাশিত হইয়াছিল। আমরা শুনিয়াছি ১৯০০ খৃষ্টাব্দের গ্রীষ্মকালটায় তিনি নানা পীড়াজনিত আসোয়াস্তি ভোগ করেন। এপ্রিল, মে ও জুন—এই তিনটি মাসই তাহার স্বাস্থ্যের পক্ষে বিশেষ প্রতিকুল ছিল। ১৯২৪ খৃষ্টাব্দের গ্রীষ্মকালে ২৫শে মে এক আকস্মিক পীড়ায় তাহার পার্থিব জীবন শেষ