পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


लश्Jल १९ 86 ক্ৰফটু সাহেব শুধু বিস্মিত হইলেন না-বিরক্তও হইলেন। তিনি জানিতেন। না-কালে এই আশুতোষ ক্ৰফটু সাহেব হইতেও অনেক বড় হইবেন। র্তাহার ভবিষ্যৎ যে খুব উন্নত একটা লক্ষ্যের প্রতি আবদ্ধ এবং তিনি যে এক দিন সেই লক্ষ্যে যাইয়া পৌছিবেন, তাহার সম্ভাবনা আপরে না জানিলেও আশুতোষ তাহা জানিতেন। যিনি বড়লাটের মুখের উপর তঁহার কাৰ্য্যের নিন্দা করিয়াছেন, লাট লিটনকে স্পষ্ট ও নিভীক উত্তর করিয়াছেন, সেই স্বাধীনচেতা পুরুষবরকে আমরা এই অল্প বয়স হইতেই আবিস্কার করিতে পারি। একবার লর্ড কার্জন তঁহাকে বিলাতে পাঠাইবার প্রস্তাব করেন ; তখন ইনি বলিয়াছিলেন যে, মাতৃনিষেধে বিলাত যাইতে পরিবেন না। উত্তরে লর্ড কার্জন বলিলেন-“আপনার মাতাকে বলিলেন, ভারতবর্ষের রাজপ্ৰতিনিধির আদেশে আপনাকে যাইতে হইবে।” তখন তিনি ভারতবর্ষের সর্বপ্ৰধান রাজপুরুষের মুখের উপর বলিয়াছিলেন—“আমার মাতা কি . छठत्र निंदन তাহা আমি পালিতে পারি, তিনি বলি বেন-- তঁহাকে আদেশ করিা- 9 ༢་་ !!!!!!!!t; আশুতোষের জননী একথা স্পীকার করেন না যে, তাহার ' ' পুত্রকে তিনি ছাড়া আর কাহারও আদেশ দেওয়ার অধিকার আছে।” এই স্বাধীনচেত তরুণ যুবক ক্রফট সাহেবের প্রস্তাবের উত্তরে যাহা বলিয়াছিলেন, তাহা কিছুই আশ্চর্যজনক নহে। অশ্বগ-বীজের অঙ্কর্পোদগমোল পর যখন তাহার দুইটি মাত্র পর্ণ উৎপন্ন হয়, তখনই বুঝা যায়, উঠা অশ্বাগ গাছ,— কচু গাছ নহে। astfsets fast as ete stizia is স্যার কাটোনি ইলবাট সাহেব তঁহার গুণমুগ্ধ ; তিনি তঁহাকে বলিলেন“তুমি আমার নিকট কি চাও ? বল, আমি কি করিতে পারি ?” তখন আশুতোষ সদা কলেজ ছাড়িয়াছেন ; ইলবার্ট সাহেব কি না করিতে পারিতেন ? শাসন-বিভাগে তাহার অসীম প্ৰভাব,--তিনি ইচ্ছা করিলে আশুতোষকে আশাতীত উচ্চ কোন চাকুরি দিতে পারিতেন ; কিন্তু বৈষয়িক উন্নতি আশুতোষের লক্ষ্য ছিল না । তিনি তাহার অপরিসীম শক্তির বিকাশের