পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/৭১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জীবন-মধ্যাহ্নে hጋ-8 একটা খেয়াল মাত্র নহে,-ৰ্তাহার পুর্ববৰ্ত্তিগণের পথে তিনি চলিয়াছেন। গভর্ণমেণ্টের ইচ্ছাধীন হইয়া তাহাদিগকে কাজ করিতে হইবে,- এই কথা শুনিলে তাহার পূর্ববৰ্ত্তী ভাইস চ্যান্সেলরের বিস্মিত হইতেন। আশুতোষ স্বীকার করিলেন, তিনি লাটসাহেবের এবং তাহার মন্ত্রীর মনোরঞ্জনের জন্য তিলমাত্রও চেষ্টা করেন নাই। কিন্তু সরকার যাহাতে তঁহাদের অন্যায় পন্থা হইতে বিরত হ’ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিতার্থে তিনি সর্বতোভাবে সেই চেষ্টা করিয়াছেন ; কিন্তু তাহাতে কোন ফলোদয় হয় নাই, তাহারা তাহার প্রতিবাদ গ্রাহ করেন নাই। উপসংহারে তিনি লিখিয়াছিলেন :- “আপনি এবং আপনার মন্ত্রী যে আমাকে সহস্থা করিতে পারিতেছেন না, তাহাতে আমি বিস্মিত হই নাই। আপনি দেশবাসীকে মানুষ হওয়ার জন্য মুখে উদ্বোধন করেন। আপনাদের সম্মুখে এইখানেই একজন | ' আছেন, র্যাহার স্বীয় বিশ্বাসানুসারে কথা বলিবার সাহস আছে এবং তিনি যাহা ভাল বোঝেন, তাহা করিতে চেষ্টিত,-কিন্তু আপনার র্তাহাকে দেখিতে পারেন না । এ দেশে এরূপ একজন ভাইস চ্যান্সেলর পাওয়া আপনাদের পক্ষে অসম্ভব হইবে না, যিনি আপনাদের আজ্ঞাধীন হইয়াই আদেশ প্ৰতিপালন করিবেন এবং সিনেটে গুপ্তচরের কাজ করিবেন। ; তিনি সহজেই আপনাদের অন্তরঙ্গ হইবেন । কিন্তু তাদৃশ ব্যক্তিকে জনসাধারণ এবং সিনেটের সদস্যগণ কখনই বিশ্বাস করিবেন না । আমরা নবাগত এইরূপ । একজন ভাইস চ্যান্সেলরের প্রতীক্ষায় রহিলাম। তিনি সিনেটের চিরাচরিত পস্থা ত্যাগ করিয়া কিরূপ নব-প্ৰণালী অবলম্বন করিবেন, তাহ দেখিবার জন্য কৌতুহল জন্মিতেছে। আমি আপনার পত্রের উত্তরে যাহা বলিব, তাহা যাহার আত্ম-সম্মান জ্ঞান আছে, তঁহার একমাত্র উত্তর এবং আমার বিশ্বাস তাহাই আপনি ও আপনার মন্ত্রিগণ আমার নিকট প্ৰত্যাশা ও ইচ্ছা করেন,- আপনি যে অপমান-সূচক প্ৰস্তাব করিয়া ভাইস চ্যান্সেলরের পদ আমাকে দিতে চাহিয়াছেন, তাহা আমি প্ৰত্যাখ্যান কতিতেছি।” । যে “বিল” লইয়া এই বাদ-প্ৰতিবাদ হইয়াছিল, তাহার দায়িত্ব ছিল, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর ; তঁহারই প্ৰভাবে লাটি লিটনের মনোভাবের হয়ত পরিবর্তন হইয়া থাকিবে। আশুতোষের পত্রের এক স্থানে তাহার স্পষ্ট ইঙ্গিত ο δ আশুতোষের উত্তর