পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


è o . खङांष-ङिकथं অন্য বড় লোকের কথা-কাটাকাটি অনেক সময় ভালবাসেন না ; কিন্তু আশুবাবু ভিন্ন তন্ত্রের লোক ছিলেন। তঁহার সঙ্গে যদি বহু ক্ষণ ধরিয়া গুণন্ত ও গুণের কেহ তৰ্ক করিত এবং তঁহার ভুল দেখাইতে চেষ্টা করিত, পক্ষপাতী। তবে তিনি মনে মনে খুলী হইতেন। তিনি ছিলেন গুণজ্ঞ, গুণের পক্ষপাতী। একদিন দল বঁাধিয়া কতকগুলি ছাত্র তঁাহার নিকট তাহাদের অভাব-অভিযোগের প্রার্থনা লইয়া আসিল ; তন্মধ্যে একটি সুদৰ্শন, মনস্বী ছেলে তঁাহার সঙ্গে প্ৰায় আধঘণ্টাকাল তর্কের লড়াই চালাইল। আশুবাবু সন্তুষ্ট হইয়া তাহদের প্রার্থনা পূর্ণ করিয়া দিলেন এবং তাহারা চলিয়া গেলে আমাকে বলিলেন-“এই মেধাবী ছেলেটি উকিল হইলে খ্যাতি कांड कब्रिांत ।” ছাত্রদের পরম বন্ধু আশুতোষ সিনেট হলে সর্বদা তাহাদিগকে সমর্থন করিতেন। বাঁকুড়া কলেজের ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ মিচেল (?) সাহেব কোন পাশের সংখ্যা লইয়া সভায় কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তীর্ণ ছাত্রদের সংখ্যা ******* বৃদ্ধিতে নিতান্ত দুঃখ প্ৰকাশ করিয়া এক বক্তৃতা করিলেন। তিনি বলিলেন,-“পূর্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে মৰ্য্যাদা ছিল, এখন আর তাহা নাই। ক্যালেণ্ডার খুজিয়া পাশ-ফেলের পাসেণ্টেজের তারতম্য দেখিলেই তাহা বুঝা যাইবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার উচ্চ আদর্শ ক্ৰমশঃ হীন হইতে হীনতর হইয়া পড়িতেছে। এই বিদ্যাশালার গ্রাজুয়েটদের এখন আর কোন সম্মানই নাই ; নির্বিচারে পাশের স্রোত চলিতেছে,-” ইত্যাদি। আশুবাবু গিরিশৃঙ্গের মত মাথা উচু করিয়া দাড়াইলেন,-সে মাথা যে সকলের অপেক্ষা উচ্চ ছিল, তাহাতে কাহারও কোন সন্দেহ ছিল না। তিনি দাড়াইয়া বলিলেন—“আমাদের পাশ-ফেলের সংখ্যা আলোচনা করার পূর্বে বক্তা তাহার নিজের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পাশ-ফেলের সংখ্যা একবার আলোচনা করিলে ভাল হয়। লণ্ডন, অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ প্ৰভৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তীর্ণ ছাত্রদের সংখ্যা আমাদের ছাত্রদের সংখ্যা হইতে শতকরা এখনও অনেক বেশী। আমি মনে করিতে পারি না যে, সেই দেশের ছেলেদের অপেক্ষা আমাদের দেশের ছেলেরা কম মেধাবী। আমি লক্ষ্য