পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আশুতোষ-স্মৃতিকথা । وا ده . নীতিশাস্ত্ৰ, ইতিহাস, ভূবিদ্যা, অর্থশাস্ত্র, রাষ্ট-নীতি, বাণিজ্য-বিদ্যা, BBDBBBDS BBBDSDSDiDDBDS DDBBD BLBDDBDSDiBDBDSDBSS বিদ্যা, পদার্থ-বিদ্যা, উচ্চতর গণিত-শান্ত্রি, জড়-বিজ্ঞান প্ৰভৃতি। এই সমস্ত বিভাগেই তরুণগণ যে মৌলিক গবেষণা করিতে প্ৰবৃত্ত হইলেন, . তাহাতে নব্য বঙ্গের কৃতিত্ব দেশময় প্রচারিত হইতে লাগিল। আশুবাবু ; পরম উল্লাসের সঙ্গে তঁহাদের সফলতার কথা কনভোকেশনের বক্ততঃ। উল্লেখ করিয়াছিলেন। ১৯২৩ খৃষ্টাব্দে,দ-মৃত্যুর এক বৎসর পূর্বে,-তিনি বলিয়াছিলেন—“য়ুরোপ এবং আমেরিকার সমস্ত শিক্ষাকেন্দ্ৰে ইহারা সম্মান পাইতেছেন।” “ফিলজফিক্যাল ম্যাগাজিন’, ‘য়্যাষ্ট্রো ফিজিক্যাল জাৰ্ণাল’, ‘দি ফিজিক্যাল রিভিউ', ‘দি ইণ্ডিয়ান য়্যান্টিকুয়্যারি’, ‘দি জার্ণল অব দি এসিয়াটিক সোসাইটি’, ‘দি বুলেটিন অব ম্যাথেমেটিকাল সোসাইটি’, ‘ট্রানজাকশনস অব টোহোকু ম্যাথেমেটিকাল সোসাইটি', ‘জার্ণল অব য়্যামেরিকান কেমিকাল সোসাইটি’, ‘জার্ণাল অব লণ্ডন কেমিকাল সোসাইটি’, ‘প্রসিডিংস অব দি রয়াল সোসাইটি অব লণ্ডন', ট্রানজাকশনস অব দি ফ্যারাডে সোসাইটি’, ‘প্রসিডিংস অব দি ইণ্ডিয়ান য়্যাসোসিয়েসন ফর দি কালটিভেশন অব সায়েন্স” প্রভৃতি জগদ্বিখ্যাত পত্রিকাসমূহে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ছাত্রদের উচ্চতর গবেষণামূলক, মৌলিক প্ৰবন্ধ প্ৰকাশিত হইতেছে,-শিক্ষা-প্ৰচেষ্টার এই সফলতায় যে তিনি কত গৌরব বোধ করিতেন, তাহা যিনি মহৎ কিছু গড়িয়া তোলেন, একমাত্র তিনিই হৃদয়ঙ্গম করিতে পারেন। যে ভারতবর্ষ চিরকাল জগদগুরুর আসন গ্ৰহণ করিয়া জ্ঞান-রাজ্যে কর্তৃত্ব করিবার অধিকারের দাবী রাখিয়াছে, সেই ভারতবর্ষ এখন হৃতসর্বস্ব হইয়া পশ্চিমের দুয়ারে চিরকাল কাঙ্গালের বেশে শিষ্যত্ব করিয়া বেড়াইবে, এই হীনতা তাহার কাছে দুঃসহ বোধ হইয়াছিল। তিনি এই দেশকে আবার জ্ঞান-রাজ্যের অধীশ্বরের আসন দিবেন,-এই সঙ্কল্প করিয়াছিলেন। জগতের চক্ষে আবার ভারতবাসী বড় হইবে, পাশ্চাত্ত্য মনস্বীদের পার্থে গুরুর বেশে না হউক, অন্ততঃ সমকক্ষতা করিয়া গা ঘোঁসিয়া দাড়াইবে-এই সঙ্কল্প লইয়া তিনি কৰ্ম্ম-ক্ষেত্রে অবতীর্ণ