পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


66 কটি “ফাণ্ডে'র সৃষ্টি করিয়াছি, যদি ན་ কোন ছাত্র এই অতিরিক্ত পাঁচ টাকা দিতে কষ্ট বেঃ 枣邵, স্তৰে ভাল করিয়া তাহার অবস্থা অবগত হইয়া আমরা সেই ‘ফাগু হইতে । তাহাকে সাহায্য করিব।” 8 }র এই যুক্তির উপর কথা বলিবার বেশী কিছু না থাকিলেও বন্ধুরা ; কথা বলিতে ছাড়িলেন না। যিনি ছাত্রদের অকপট বন্ধু, তাহাদের উপকারের - জন্য সতত ব্যস্ত এবং যিনি পরীক্ষার পথ সুগম করিয়া না দিলে, শত শত ছাত্র । অনেক সময়ে অন্যায় ভাবে 'ফেল' হইয়া পুনরায় বৎসর ভরিয়া পড়ার ব্যয় বহন করিতে বাধ্য হইত, সেই আশুতোষকে ছাত্রদের ঘোর অনিষ্টকারী ও শত্রু বলিয়া প্রতিপন্ন করিতে অনেকে উঠিয়া পড়িয়া লাগিয়া গেলেন। তর্কের মুখে আশুবাবু একবার বলিয়াছিলেন—“অনেক ছেলেই তো সিনেমার দ্বারে এরূপ ভিড় করে যে, মনে হয়, তাহারা তাহদের আর্থিক দুরবস্থাটাকে বেশী কিছু বলিয়া গণ্য করে না ।” এই কথায় প্রতিবাদী-দল এবার একটা বড় রকমের সুবিধা পাইলেন, . এবং খবরের কাগজে ইহা লইয়া তাহাকে খুব টিটুকারী দিলেন। যাহা হউক পরীক্ষার ‘ফি' বৃদ্ধি সিনেটে পাশ হইলেও কর্তৃপক্ষের মণ্ডুৱী পাইল না। এই দুর্দিনে আমি সাহস করিয়া বলিয়ছিলাম,—“আপনি যদি একটুকু অবনতি স্বীকার করেন, তঁহাৱা তো রাজা, তাহাতে বেশী কি দোষ হয় ? আপনার যে এই ঘোর দুশ্চিন্তা ও আমাদের বিপদ, তাহা তো সহজেই দূর হইতে পারে।” 5. তিনি সেদিন ক্রুদ্ধ হইলেন, বজ্ৰ-স্বরে বলিলেন—“কাহার खन्नु अङि স্বীকার করিব ? আশু মুখুজ্জে সে শৰ্ম্মাই নহে। এই জগতটা রাজপুরুষদের ** bलिएऊछ न। ऊँाशद्मा शाश्। शेष्छ्। করিবেন, তাহাই कि হইবে ? : উপরওয়ালা একজন আছেন, যাহার হুকুমে সকল হয়। আপনার বসুন, , দেখুন না, তাহারা যাহা ইচ্ছা করেন, তাহাই হইবে এবং আমরা যাহা ইচ্ছা

  • ৰি, তাহা হইবে না,-এ কথা মনে করা ঠিক নহে। কাজ করিয়া যাই