পাতা:ইংলণ্ডের ডায়েরি - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ਸ਼ੋ , yQ দেখা করিতে গেলাম। তিনি আমাকে দেখিয়া বলিলেন যে, আমি অনেক রোগ হইয়া গিয়াছি ও আমার মুখে স্বাস্থ্যের চিহ্ন দেখা যায় না। কোন ভাল ডাক্তারকে দেখাইতে বলিলেন । মিসটার হাণ্ট, সেখান হইতে আসিয়া সাজিয়া গুজিয়া মিস্টার হাণ্টের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হইলাম ; যাইবার সময় মান্দ্ৰাজী পাগড়িটা পরিলাম ; মনে করিলাম হান্টের ছেলেমেয়েরা আমোদ পাইবে। পথে কি কৌতুক ! কত রঙ্গিণী দন্তপংক্তি বিকাশ করিয়া হাসিয়া লুটাপুটি ! একজন ভদ্রলোক, ভারতবর্ষীয় বলিয়া আমার প্রতি তঁর কতই অনুগ্রহ, ও কত দয়া! তিনি আমাকে বাসে তুলিয়া দিলেন। হাণ্টের বাড়িতে খুব আমোদ ; মেয়েরা পাগড়ি মাথায় পরাইয়া দিতে বলে। হাণ্টের টেবিলে আমার আহারের যে দুরবস্থা তার কথা আর নাই বলিলাম। বেচারারা জানে না, নিরামিষাশীরা কি খায়। তাহার কয়েক জনকে নিমন্ত্রণ করিয়াছিল, তাহদের মতই আয়োজন ছিল। আমি তাহার মধ্য হইতে নিরামিষ দুই চারি রকম বাছিয়া একপ্রকারে কাজে সারিলাম। কান্নাকাটির ব্যাপার । নিরামিষাশী হওয়া ইংলেণ্ডে এক বিষম। জালা । আহারের পর ড্রয়িং রূমে বসিয়া সঙ্গীত ও জাতিভেদাদি বিষয়ে অনেক গল্প হইল ; নানা স্থানে ও নানাভাবে একই কথা ! সেখান হইতে ফিরিতে ১১টা বাজিয়া গেল। ২০-৬-৮৮)। আদ্যকার বিশেষ ঘটনার মধ্যে আজ বৈকালে মিসেস কীটিংএর বাড়িতে আহার করা গুেল। ইহারা ইউনিটেরিয়ান। কেশব বাবুর এই বাড়ির সঙ্গে আত্মীয়তা ছিল। মিঃ এ এম বোস, জগদীশ (১), প্ৰভৃতির সঙ্গেও রচনা করেন। আলোচ্য সময়ে তিনি লণ্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজে পালি ও বৌদ্ধ সাহিত্যের অধ্যাপক ছিলেন এবং পরে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনিভার্সিটিতে তুলনামূলক ধর্মতত্বের অধ্যাপক পদে নিযুক্ত হন। . (১) স্বনামধন্য বৈজ্ঞানিক তার জগদীশচন্দ্ৰ বন্ধ।