পাতা:ইংলণ্ডের ডায়েরি - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


A. ইংলেণ্ডের ডায়েরি মুরা-ব্যবসায়ের প্রতিবাদ করিবার জন্য ডিউক অব ওয়েস্টমিনস্টারের সভাপতিত্বে এক্সিষ্টার (১) হল-এ এক সভা হইবে। কিন্তু তাহাতে আমি উপস্থিত থাকিতে পারিব না। এখানে দেখিতেছি। বক্তৃতাতে হক চকাইয়া দিতে না পারিলে কাহারও কলিকা পাইবার যো নাই। আমারও ইংরাজী বলিতে বাধে। দেখা যাক, ক্ৰমে কি হয়। আজ অক্সফোর্ড হইতে হীরালাল কুমার নামক এক যুবকের এক পত্র পাইয়াছি। এই যুবক অকারণ কোনপ্ৰকার বন্দোবস্ত না করিয়া ইংলেণ্ডে আসিয়াছে। নিজের যে বিবরণ দিয়াছে, তাহাতে এই জানা যায় যে, ঘুরিয়া বেড়ান ইহার অভ্যাস ; মনে করিয়াছিল যে, এখানে কোন কাজ। জুটাইয়া করিয়া খাইতে পরিবে। কিন্তু সে বড় কঠিন কথা। ইহাকে যো-সো করিয়া বাড়ি পাঠান উচিত । স্যার অনিয়ার মনিয়ার-উইলিয়ামস সন্ধ্যার পর স্যার মনিয়ার মনিয়ার-উইলিয়ামস-এর বাড়িতে যাওয়া গেল। তিনি আমাকে খুব অনুরাগ ও সম্রামের সহিত লইলেন। অনেক গল্প ও কথাবার্ত হইল। ব্ৰাহ্মসমাজ সংক্রান্ত অনেক বই দেখাইলেন। তাহার গ্রন্থে আমার নাম ও প্ৰশংসা আছে তাহাও দেখাইলেন। তৎপরে রীজ ডেভিডস ও ইণ্ডিয়া অফিসের লাইব্রেরিয়ানের নামে দুইখানি পরিচয়পত্র দিলেন। ইহার লাইব্রেরী দেখিয়া অবাক হইলাম। সেদিন প্রফেসর কার্পেণ্টারের (১) Exeter Hall-লণ্ডন শহরের স্ট্র্যাণ্ড অর্থাৎ নদীতীরবর্তী রাস্তার উত্তর দিকে অবস্থিত এই হলটি ঐ সময়ে খৃষ্টীয় ব্যাপটিস্ট সম্প্রদায়ের অধিকারে ছিল । এখানে তিন হাজার লোকের বসিবার ব্যবস্থা ছিল এবং - অনেক সভা সমিতি কনফারেন্স ইত্যাদি। এখানে অনুষ্ঠিত হইত। ১৯০৭ অব্দে ব্যাপটিস্টগণ বিক্রয় করিয়া দিলে। হলটি ভাঙ্গিয়া ফেলিয়া ঐস্থানে “স্ট্র্যাণ্ড প্যালেস হোটেল” बिर्भिज इश।