পাতা:ইংলণ্ডের ডায়েরি - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তাহার মানস শিষ্যগণও যে ভারতে নিত্য-নব কল্যাণ-কর্মের প্রতিষ্ঠা করিয়া ভারতে এক নূতন চেতনার সৃষ্টি করিতে সমর্থ হইয়াছিলেন, তাহার মূলেও এই ধর্মসাধনার প্রেরণা রহিয়াছে বলিয়াই সম্ভব হইয়াছিল। শিবনাথ ছিলেন এই ধর্মধারার একজন একনিষ্ঠ সাধক ; তাই সহজেই আত্মপ্ৰতিষ্ঠা ও যশোর আকাজক্ষাকে জয় করিয়া মানুষের সেবায় নিজেকে অকাতরে তিনি বিলাইয়া দিতে পারিয়াছিলেন । শিবনাথ অসাধারণ প্ৰতিভা লইয়া জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন। জীবনের যে-যে-ক্ষেত্রে তঁহাকে প্ৰবেশ করিতে হইয়াছিল, সেই সকল ক্ষেত্রেই তিনি স্বল্পায়াসেই যে-শক্তির পরিচয় দিয়াছেন তাহা এতই প্ৰবল যে, তাহার একটিমাত্র ক্ষেত্রে যদি তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখিতেন, তাহা হইলে সে-ক্ষেত্রের শিখরে তাহার প্রতিষ্ঠা সম্ভবপর হইত। কিন্তু ধর্মসাধনার প্রবল আকৃতি তাহাকে “ব্ৰাহ্মসমাজের দাস” হইতে যে-প্রেরণা দিয়াছিল, তাহার ফলে তাহার শক্তি প্ৰধানত রামমোহনের সর্বাঙ্গীণ সাধনপথে প্ৰবাহিত হওয়াতে জীবনের অষ্টান্য ক্ষেত্রে তঁহার শক্তি পূর্ণতম বিকাশের সুযোগ পায় নাই। যৌবনে তিনি সাহিত্য-সাধনায় কিছুটা রত হইয়াছিলেন, এবং সাহিত্যক্ষেত্রে এই ক্ষণিক বিচরণেই কাব্য উপন্যাস ও সন্দৰ্ভ লেখক রূপে যে-প্ৰতিষ্ঠা তিনি লাভ করিয়াছিলেন তাহা বড় অল্প নহে। জীবনচরিত লেখক হিসাবে উনবিংশশতকের বাঙ্গলার মনীষীদের যে বৃত্তান্ত তঁহার “রামতনু লাহিড়ীও তৎকালীন বঙ্গসমাজ” নামক পুস্তকে দিয়াছেন, সুললিত বাঙ্গলায় এমন তথ্য-বহুল ও DBBBB BBD DDD BBD iDD DD S S LD BDBDDD BDB D DDDi শতকের বাঙ্গলার ঐতিহ্যের প্রামাণ্য পুস্তকরূপে আদৃত আছে। র্তাহার “আত্মচরিত”ও বাঙ্গলা ভাষার এক অপূর্ব সম্পদ। র্তাহার এই সাহিত্যপ্রতিভা লক্ষ্য করিয়াই রবীন্দ্ৰনাথ এক সময় তাহাকে অনুরোধ করিয়া লিখিয়াছিলেন, “বঙ্গসাহিত্যকে বঞ্চিত করিয়া ব্ৰাহ্মসমাজকেই আপনার সমস্ত ক্ষমতা । অৰ্পণ করিলে চলিবেন, কারণ সাহিত্যে আপনার ঈশ্বরদত্ত অধিকার আছে ।” ebr