পাতা:ইংলণ্ডের ডায়েরি - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিবনাথ কিছুদিন শিক্ষকতাকে বৃত্তিহিসাবে ও ব্রতরূপে গ্ৰহণকরিয়াছিলেন। তিনি যদি শিক্ষাবিভাগেই থাকিতেন, তাহা হইলে পণ্ডিতবর। মহেশচন্দ্ৰ ন্যায়রত্বের পরে সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হইতে পারিতেন । অসাধারণ বাগিতার অধিকারী এই ব্যক্তিটির ধর্ম ছিল, সকল প্ৰকার অধীনতা হইতে মুক্ত হইবার সাধনা ; এবং সে-হিসাবে সর্বাব্দীণ মুক্তি-সাধনার অঙ্গস্বরূপ রাজনৈতিক মুক্তির জন্যও এই তেজস্বী পুরুষের প্রাণের আকাজক্ষা কম ছিল না। ভারত সভা বা ইণ্ডিয়ান য়্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠায়, আসামের চা-বাগানের কুলিদের অমানুষিক অবস্থার প্রতিকার-আন্দোলনের ও মাদকতা নিবারণের জন্য খোলার্ভাটি বন্ধ করিবার আন্দোলনের অন্যতম নেতারূপে, শ্রমিকদিগের জাগৃতিপ্ৰচেষ্টার অন্যতম উদগত রূপে তাহার অপরিমেয় শক্তির একাংশ ব্যয় করিয়াই তিনি যে-কীৰ্ত্তির অধিকারী হইয়াছিলেন, তাহাতে বুঝা যায় যে, রাজনীতিক্ষেত্রে একনিষ্ঠ কর্মী হইলে তিনি এদেশের রাজনৈতিক মহলেও সুপ্ৰতিষ্ঠিত হইতে পারিতেন। কিন্তু ব্ৰাহ্মসমাজের ডাক তো তাহার নিকট কোনও বিশেষ সম্প্রদায়ের ডাক ছিল না ; তিনি এই ডাককে মানব-কল্যাণে নিয়োজিত হইবার ডাকরূপেই অনুভব করিয়াছিলেন, এবং সেজন্যই আপনার LSLSL DBDBB DD DBD DBBBD BBD DDD DBBBBD S BBD DD BBBD LDBD DB BDBDBB BDDDD BDDYK করিয়াছিলেন। তঁহার নিকট “মানবজীবন মানবপ্ৰকৃতি মানবদেহ ও মানবসমাজ ঈশ্বরের লীলাক্ষেত্ৰ” ; মানবসেবাই ঈশ্বরের সেবা, এই সাধনাই ব্ৰাহ্মসমাজের সাধনা; সত্য ও সাধুতায় বিশ্বাস, সদনুষ্ঠানে রুচি ও দীনজনে দয়াই এই ধর্মসাধনের নিরিখ । নিত্য নূতন জ্ঞান অর্জন ও উন্নততর কার্যপ্ৰণালীর পরিচয় লাভ করিবার জন্য তঁহার মনে প্ৰবল আকাজক্ষা ছিল। এই আকাজক্ষাই তাহার মনে ইংলণ্ড গমনের ইচ্ছা জাগায়। ইংলেণ্ডে অবস্থানকালে তঁাহার যে কৰ্মতালিকা অবলম্বনের অভীপ্সা তাহার বিলাতগমনের মুখ্য কারণ হইয়াছিল, তাহা তিনি নিজেই এই ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করিয়াছেন ; তাহার পরিচয় পাঠক এই So