পাতা:ইংলণ্ডের ডায়েরি - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ও সার্থকতা ; এইখানেই বলা যাইতে পারে যে, কেশবচন্দ্রের একাধিপত্যমূলক যথেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে যে তিনি একদিন ১৮৭৮ খৃষ্টাব্দে প্ৰতিবাদ করিয়াছিলেন, তাহা কেশবের বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিগত বিদ্বেষ-প্ৰসূত নহে; তিনি প্ৰতিবাদ করিয়াছিলেন, কেননা তঁহার প্রকৃতিতে সত্যই নিয়মতন্ত্রের বীজ নিহিত ছিল। * * *“উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর বাঙ্গলায় যাহারা সমাজে ও রাষ্ট্রে নেতার অংশ গ্ৰহণ করিয়া অভিনয় করিয়াছেন, ও করিতেছেন, ষে-সমস্ত বাঙ্গালী রাষ্ট্রে, প্ৰাদেশিক ক্ষেত্রে ও এমন কি, কংগ্রেসের সভাপতিরূপে সম্মানিত হইয়াছেন, তাহাদের মধ্যেও অতি অল্পসংখ্যক নেতাই নিয়মতন্ত্রকে জীবনে, পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর মত, সাধনা করিয়া গিয়াছেন। “নিয়মতন্ত্রকে সাধনার কথা আমি বলিলাম। বস্তুতই এ যুগে ইহা সাধনারই বস্তু । সংঘবদ্ধ হইতে না পারিলে, জীবন-সংগ্রামে বঁচিয়া থাকা অসম্ভব। আমাদের মত একটী প্রাচীন, জীর্ণ, বিক্ষিপ্ত, বিচ্ছিন্ন ও শিথিল, এবং সর্বোপরি, দরিদ্র জাতিকে এ যুগে বাচিয়া থাকিবার জন্য সংঘবদ্ধ হইতে হইলে, একটী আদর্শের অনুপাতে সংঘবদ্ধ হইতে হইবে। নিয়মতন্ত্রের ভিত্তির উপরেই সংঘবদ্ধ হওয়া এ যুগে অধিকতর নিরাপদ। অবশ্য সম্পূর্ণভাবে আপৎশূন্য কোন আদৰ্শই এ পর্যন্ত মনুষ্য চিন্তা করিয়া আবিষ্কার করিতে পারিয়াছে বলিয়া মনে হয় না। আপদ বিপদের মধ্য দিয়াই সমাজকে অগ্রসর হইতে হইয়াছে ও হইতেছে। ভবিষ্যতে এই আপাদ-বিপদ যত কম হয়, প্ৰত্যেক সভ্যদেশের জননায়কগণের তাহাই একমাত্র চিন্তার বিষয়। পণ্ডিত শিবনাথ নিয়মতন্ত্রের সাধনা করিয়া বাঙ্গালীকে এ বিষয়ে একটি আদর্শ দিয়া গিয়াছেন । ইতিহাস একদিন পণ্ডিত শিবনাথের এই আদর্শের সুবিচার করিবে, এই আশা कब्र बांध्र । SDDBBB uHDti YuBDS sL BB DDD DDDD BB s নিয়মতন্ত্রের উপর সমাজের বিভিন্ন অংশকে এ যুগে আবার সংহত ও সংঘবদ্ধ করিবার চেষ্টা হইতেছে। নিয়মতন্ত্র ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় অনেক সময় নেতার পক্ষে আত্ম-বিলোপ আবশ্যক হইয়া পড়ে। হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠার সময়