পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/১১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্তদশ পরিচ্ছেদ । డి es বলিলেন, “এখানে কে আছিস রে রেজো বেটার গলায় গামছ দিয়ে টেনে নিয়ে অয়তো ; কুলাঙ্গার বেটা কেন আপনার জাত কুলের উপর দৃষ্টি রাখে না দেখি ?” মাষ্টার মহাশয় বলিলেন আপনার কাছ থেকে চাকুরী মাওয়ার পর থেকে সে নিৰুদেশ হয়েচে, গ্রামে তাকে কে ও দেখতে পায় না ।” চট্টোপাধ্যায় । যাক বেট চুলোয় যাক্ ; তার বাড়িতে আর কে আছে ? মাষ্টার । তার স্ত্রী, দুট ছেলে তার সেই সরস্বতী ঠাক্ রুণ । চট্টোপাধ্যায় । তার স্ত্রী বেট ও তো এই দরে চলে ? মাষ্টার । অজ্ঞে তা জানিন। । চট্টোপাধ্যায় মহাশয় এবং মাষ্টার মহাশয় ব্যতীত গ্রামের আর ও কয়েক জন তথায় উপস্থিত ছিলেন, তাহীদের মধ্যে অনেকেই বলিলেন “আঞ্জে না সে অতি সতী লক্ষী, সাত চড়ে তার মুখে কথা নাই । আর রাজ কুমার নিরুদ্দেশ হওয়া পৰ্য্যস্ত সে জরে পড়ে, তার উঠবার শক্তি নাই ; এতে তার কোন দোষ আছে বলে বোধ হয় ম৷ ” ہ চট্টোপাধ্যায় মহাশয় বলিলেন “তার অfর কেউ আছে ?” একজন বলিল “পাতুল গায়ে তার বাপের বাড়ি, বাপ আছে, বোধ হয় মা ও অাছে।” “তোমরা যখন বলচে। তার কোন দোষ নাই তখন তার বাপকে খবর দিয়ে তাকে বীপের বাড়ি পাঠিয়ে দাও আর সেই পাজি বেটার মাথা মুড়িয়ে গায়ের বার করে দিয়ে এস ; আমার জমিদারীর ভিতর এসব বদখেয়ালি চলবে না। আমি আজই > * ,