পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/১২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* > b- हैन्झछठ् । প্রলোভন দেখাইতেছেন ; কোথাও কোন অভদ্র দালাল জোর করিয়া ক্রেতার টে“ক হইতে দালালির টাকা কড়িয়া লইতেছেন । কোথাও কোন ক্রেতা জিনিস ক্রয় করতঃ হাস্ত মুখে বিক্রেতার ভূয়সী প্রশংসা করিতে করিতে দোকান হইতে বহির্গক্ত হইতেছেন ; কোথাও কোন ক্রেত রদিমাল পাইয়tছেন বলিয়া “বিক্রুেত অবিবেচক, কিছুই বুঝে না” বলিয়া নিন্দা করিতেছেন ; আর যিনি যথার্থ মূল্য দিয়া ষোলকড়। কান পাইয়াছেন তিনি ক্রোধে অধীর হইয়। বিক্রেতার মাতৃ পিতৃসম্বন্ধে নানারূপ কুৎসা রটনা করিতেছেন । কোথাও কোন রদি মাল প্রাপ্ত খরিদদাৱকে হাতে রাখিবার জন্য কোন দালাল আর কিছু খরচ করিয়া ভাল মাল ক্রয় করিবার উপদেশ দিতেছেন –-কেহ বা “তোর নিজের দোষে মাল খারাপ হলো।” বলিয়া খরিদদারকে ধমকাইতেছেন । এ জিনিসের ভাল মন্দ পরীক্ষা করিয়া ক্রয় করিবার উপায় নাই ;--ইহার মূল্য ও অগ্রিম, দালালী ও মাগ্রিম । বিক্রে নিজের অবসর এবং সুবিধা বুঝিয়। তবে ক্রেতাকে মাল ডিলিভার দিয়া থাকেন । জিনিস ক্রয় বিক্রয়ের স্থানের দৃপ্ত বড় চমৎকার। বিক্রেতা সরকার, মুম্ভরী, দালাল, এবং ভৃত্যবর্গে পরিবেষ্টিত হইয়। উচ্চাসনোপরি বিরাজমান ; অগ্রিম মূল্য দাতা এক এক জন খরিদদারকে অধীনস্থ ভৃত্যদ্বার আহবান করিতেছেন আর দেখা নাই, শুনা নাই, এমন কি অনেক সময়ে দেখিয়াও অন্ধের দ্যtয় রদি গলতি পচা ধসধসে মাল অম্লান বদনে দিতেছেন । দালাল বেচারি অনেক চেষ্টা করিয়াও নিজ খরিদদারকে ভাল মাল দেওয়াইতে পারিতেছেন না। খরিদদার কি কfরবেন, অগ্রিম মুল্য দিয়াছেন স্বতরাং নায়ে কড়ি দিয়ে ডুবে পার হইতেছেন।