পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/১৩২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


> ミb" ਵੋਲ਼5ਲ਼ l দাড়াইতেছে। কর্শাই তাড়ান গরুর ন্যায়, বয়সী, অৰ্দ্ধবয়সী, যুবতী প্রভৃতি ভদ্র ঘরের স্ত্রীলোকের গাটছড়া বাধিয়া চলিয়াছেন । কেহ কুঁড়াজালী হস্তে করে হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ করিতেছেন ; কেহবা খুদির মা মাগীর কি অঙ্খার মা, এত ডাকলুম ত৷ এলো না’? বলিয়া পাশ্ববৰ্ত্তিনী সঙ্গিনীর কান ভারি করিতেছেন । কিন্তু কুঁড়াজালির ভিতর মালা দস্তুর মত ঘুরিতেছে। কলিকাতা জগন্নাথের ঘাটের দৃশ্য আরও চমৎকার । জগন্নাথেদেবের মন্দিরের নিকট হইতে ঘাটের কদমের উপর পর্য্যস্ত রাস্তায় দুই পাশ্বে ছেড়া কাপড় বিছাইয়া কাঙ্গালীগণ বসিয়া আছে । ইহার এক এক জনে তিন চারি থানা, কেহ ব: আট দশ থানা পর্ষ্য ন্ত ছেড়া কাপড় বিছাইয়া একাই এক সহস্ৰ হই য়া বসিয়া আছে, এজন্মের এই ফল ; ভিক্ষা করি । উদর পোষণ করিতেছে, কিন্তু জুয়াচুরী করার্ট পরিত্যাগ করিতে পারে নাই । একজন গলায় পৈ তা দিয়া নিমালি ত নেত্রে অন্ধের ভণে সুর করিয়া চেচাইতেছে ‘‘এই অন্ধ ব্রাহ্মণকে কিছু দিয়ে ষ ও মা বাপ’ আর এক বেল জুয়াচোর কিছু দিবার ভানে তাহার হস্ত হইতে ছে। মারিয়া পয়সাগুলি লইয়। ভিড়ের মধ্যে মিশিয়া গেল ! এখন অন্ধ ব্রাহ্মণ আ র অন্ধ নাই ; “ওগে। আমার পয়সা নিয়ে গেলে গে৷’’ বলিয়া ভিড়ের মধ্যে জুয়াচোরের পশ্চাদামুসরণ করিল। লোকে দেখিয়া অবাক ; সেখানেও একট। রীতিমত জনতা হইল । এক মাগী বুড়ি মাদুলী গলায় একটা ছেলে কোলে জনতা বৃদ্ধি করিতেছিল ; পশ্চাৎদিক হইতে আর একটা জুৰাচোরে সেই মাছুল কয়ট কাটিয়া লইল কেহ সেদিকে লক্ষ ও করিল না।