পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থকারের বক্তব্য। বোধ হয় বাঙ্গালী পাঠকের বাঙ্গালা পুস্তক পাঠের সময় । নাই বা পাপ অাছে বলিয়। সমগ্র পুস্তক খানি পাঠ করেন না ; সেই জন্ত পূৰ্ব্বতন প্রাচীন গ্রন্থকারগণ পুস্তকস্থ বিষ্ণু সংক্ষেপে বুঝাইবার জন্ত ভূমিকা লিখিবার প্রথা প্রচলন করিয়া গিয়া-" ছেন এবং আজি পৰ্য্যন্ত অনেকেই সেই পথ অনুসরণ করিয়া চলিতেছেন। তবে অনুসরণকারীগণ-নবীন কি প্রবীণ সে সংবাদ রাখি না ; ভাবে বোধ হয় নবীন নহেন—প্রবীণ ; নচেৎ বহু আয়াসলব্ধ মস্তিষ্ক ব্যায়ে শত পৃষ্ঠা লিখিত পুস্তকের এক পৃষ্ঠ ভূমিকা লিখিয়৷ তৎপাঠে পাঠককে সমগ্র পুস্তক পাঠের ফল দিবেন কেন ? অস্ততঃ আমার বিবেচনায় ইহা সংযুক্তি বলিয়। বোধ হয় না । জগৎপদ্ধতি অসম্পূর্ণ বলিয়। গ্রন্থকারের বহু পরিশ্রমের ফল পাঠক একটু কষ্টস্বীকার করিয়া পাঠ করিবেন না ভবিষ্যতে ইহা নীতিবিরুদ্ধ। আশা করি,— নবীন লেখকগণ অন্ত পথ অবলম্বন করিবেন। কিন্তু আমি এখন করি কি ? আমি যে নবীদও নহি, প্রবীণও নহি-মাঝামাঝিতে পড়িয়াছি । সুতরাং সমালোচকগণ ক্ষমা করিবেন-মাঝামাঝি লিথি—আপনার অভয় দিন-বলুন “তথাস্ত”! .—হিন্দুবিবাহের অবস্থা, একীকরণ, হিন্দু স্ত্রী সকল অবস্থায় সহধৰ্ম্মিণী-সকল অবস্থায় নহেন ইন্দ্রচন্দ্রকে লইয়া তাহাই বুৰিতে চেষ্টা করিয়াছি মাত্র। কলিকাতা বসন্ত পঞ্চমী ১২৯৬ সাল 3 ঐবৈষ্ণবচরণ বসাক ।