পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৩৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ ৩১ གཱན་ས་རྨ་ “অারে মর বেট। বলগে । আমি বাড়িতে নাই * সরলচিত্ত চাষাভূত্য মনিবের তাড়া খাইয়। রাজকুমারের নিকট আসিয়া বলিল, “বাবু বললেন, বাবু বাড়ি নাই।” তৃত্যের কথা শুনিয়া এই দুঃখের সময়েও রাজকুমারের হাসি আসিল । ভূত্যের মন্তকে হস্তদিয়া বলিল, বাপু তোমায় আশীবাদ করি ধনেপুত্রে লক্ষ্মীলাভ হ’ক । কিন্তু ,বাপু একটী কাজ করতে হবে, একবার তোমার বাবুকে আমার সঙ্গে দেখা করিয়ে দিতে হবে ।’ ব্রাহ্মণের সাক্ষাতে মিথ্যাকথা কছিলে কি শাস্তি হয় ভূত; এতক্ষণ মনে মনে তাহাই চিস্তা করিতেছিল । এক্ষণে রাজকুমার মাথায় হাত দিয়া আশীৰ্ব্বাদ করিল দেখিয়া বলিল, “ঠাকুর আমার কোন অপরাধ নেবেন না। কেন আপনি এত ডাকাডাকি কর চেন, বাবু আপনার সঙ্গে দেখা করবেন না ; আমার সঙ্গে আসুন গাছ থেকে একটা লাউ পেড়ে দিচ্ছি নিয়ে যান ।” রাজকুমার কিংকৰ্ত্তব্যবিমূঢ় হইয়। অনেকক্ষণ পৰ্য্যস্ত দাড়াইয়া রছিল; শেষ উপায়াস্তুর না দেখিয়া ভূত্য সঙ্গে তাহাৰু বাট হইতে একটা লাউ এবং দুইটী পয়সা লইয়া বাট অক্তিমুখে রওনা হইল । . এই সোনাটিকুরী গ্রাম খানিও চন্দ্রশিখর চট্টোপাধ্যায়ের জমীদারী এলেকাভুক্ত। রাজকুমার, জমীদার সরকারে কার্য করে সকলেই তাহ জানে । গ্রামের ভিতর দিয়া আসিবার কালে অনেকের সঙ্গে রাজকুমারের সাক্ষাৎ হইল ; অনেকে শারীরিক কুশল জিজ্ঞাসা করিল। রাজকুমার ভাল আছি বলিয়া সকলের কথার জবাব দিল ।