পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৩৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩২ - हैऊछठछ । মধু ঘোষ বাজরা মাথায় হাট করিয়া আসিতেছে, পথে রাজকুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ হইল। মধু রাজকুমারকে দেথিয়া বজির নামাইয়। প্রণাম করিল । রাজকুমার জিজ্ঞাসা করিল, “কিরে মধু ভাল আছিস তো ?” মধু হাত কচুলাইতে কচ লাইতে একমুখ দাঁড়িগুদ্ধ মুখ ব্যাদান করিয়া বলিল, “আন্দ্রে হ্যা দাদা ঠাকুর; আপনি ভাল আছেন তো, মা ঠাকৃরণ ভাল আছেন ?” “ই। সব ভাল আছে বলিয় রাজকুমার চলিয়া যায় দেখিয়া মধুঘোষ বলিল, “দাদাঠাকুর আমার যদি একটু উপকার করেন, তো আপনার চরণের ধুলো হয়ে থাকি।” রাজকুমার বলিল কি করতে হবে বল ; ঢের বেলা হয়েছে এখনও খাওয়া হয় নাই ।” মধুর মুখে কথা নাই ; মুখ বিকৃত করিয়া কটিদেশ হইতে ঘৰ্ম্মসিক্ত মসিবিনিনিত কৃষ্ণবর্ণ গেজের ভিতর হইতে কতক গুলি পয়সা পথে বিছাইয়া চারি অঙ্গুলিদ্বারা “এই রাম, দুই, তিল” করিয়া আট আন গণিয়ণ রাজকুমারের হস্তে দিয়া বলিল, "দাদাঠাকুর আমার সেই আর বছরে বাকী খাজান জমা করে দেবেন। আর এই বেগুণ কটা আপনি থাবেন।” মধুর কথা শুনিয়া রাজকুমার বলিতেছিল যে, জমীদ্বার সরকার হইতে আমার চাকুরী গিয়াছে । কিন্তু কি ভাবিয়া বলিল না ; আট গও পয়স হস্তে লইয়া বলিল, “আচ্ছ ’ - মধুঘোষ আট গণ্ডী পয়সা জমীদার কাছারীতে জমা এবং বেগুণ কয়ট রাজকুমারকে খাইতে দিয়া সানন্দচিত্তে প্রস্থান করিল ; রাজকুমারও ভাবিতে ভাবিতে সোনাটিকুরী ছাড়াইয়। মাঠে আসিয়া পড়িল । r